জিয়ার রাজনৈতিক জীবন অগ্রগতি এবং বিতর্ক উভয় দ্বারা চিহ্নিত ছিল। প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন, তিনি অর্থনৈতিক উদারীকরণ এবং বেসরকারিকরণের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে নীতি বাস্তবায়ন করেন, যার লক্ষ্য ছিল প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা। তবে, তার মেয়াদ দুর্নীতি এবং রাজনৈতিক অন্তর্দ্বন্দ্বের অভিযোগ দ্বারাও চিহ্নিত ছিল।
জিয়ার মৃত্যুতে প্রতিক্রিয়া ভিন্ন ছিল। সমর্থকরা তাকে গণতন্ত্রের চ্যাম্পিয়ন এবং প্রান্তিক মানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে স্মরণ করেন, সমালোচকরা দুর্নীতি কেলেঙ্কারিতে তার কথিত সম্পৃক্ততা এবং তার সরকারের মানবাধিকার রেকর্ডের দিকে ইঙ্গিত করেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, তার প্রয়াণ বাংলাদেশে রাজনৈতিক শক্তির পুনর্বিন্যাস ঘটাতে পারে, যা আসন্ন নির্বাচনের জন্য সম্ভাব্য প্রভাব ফেলতে পারে।
বিএনপি জিয়ার স্মৃতির প্রতি সম্মান জানাতে ধারাবাহিক শোকানুষ্ঠানের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। এদিকে, সরকার জাতীয় শোক ঘোষণা করেছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে জিয়ার মৃত্যুর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব এখনো দেখার বিষয়, তবে বাংলাদেশের রাজনীতিতে তার প্রভাব অনস্বীকার্য।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment