ব্রাজিলের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি জাইর বলসোনারো ক্রমাগত হেঁচকি সমস্যার সমাধানে সোমবার দ্বিতীয়বার ফ্রেনিক নার্ভ ব্লক পদ্ধতি গ্রহণ করেছেন। তার চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, চিকিৎসা সফল হয়েছে এবং তার অবস্থা স্থিতিশীল।
২০২২ সালের নির্বাচন বাতিল করার চেষ্টার দায়ে ২৭ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন বলসোনারো। বড়দিনের আগের সন্ধ্যায় হার্নিয়া মেরামতের জন্য তাকে সাময়িকভাবে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। হাসপাতাল থাকার জন্য তিনি বিচার বিভাগীয় অনুমতি পেয়েছিলেন। হার্নিয়ার অস্ত্রোপচার সফল হলেও, কয়েক মাস ধরে তার হেঁচকি চলতে থাকে, যার কারণে শনিবার প্রথম ফ্রেনিক নার্ভ ব্লক পদ্ধতি করা হয়, যেটিকে অ-সার্জিক্যাল এবং স্বল্প আক্রমণাত্মক বলা হয়েছিল।
ফ্রেনিক নার্ভ ডায়াফ্রামকে নিয়ন্ত্রণ করে, যা শ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে জড়িত প্রধান পেশী। ফ্রেনিক নার্ভ ব্লকের লক্ষ্য হল সেই নার্ভ সংকেতগুলোকে থামানো, যা অনৈচ্ছিক ডায়াফ্রাম সংকোচনের কারণে হেঁচকি তৈরি করে। এই পদ্ধতিতে নার্ভের কাছাকাছি একটি অ্যানেস্থেটিক ইনজেকশন করা হয়, যা সাময়িকভাবে এর কার্যকারিতা বন্ধ করে দেয়।
বলসোনারোর বর্তমান কারাদণ্ড ২০২২ সালের নির্বাচনে পরাজয়কে উল্টে দেওয়ার জন্য অভ্যুত্থানের ষড়যন্ত্রের দায়ে হয়েছে। তিনি ব্রাজিলের রাজনীতিতে একজন বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব, যিনি তার কট্টর ডানপন্থী নীতি এবং বাগাড়ম্বরপূর্ণ বক্তব্যের জন্য পরিচিত। তার আইনি দল তার নির্দোষিতা বজায় রেখেছে এবং আশা করা হচ্ছে যে তারা এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবে।
দ্বিতীয় পদ্ধতির পর প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এখনও হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তার স্বাস্থ্য team তার অবস্থা পর্যবেক্ষণ করবে। কারাগারে তার মুক্তির বিষয়ে আর কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment