সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ভেনেজুয়েলার নিরাপত্তা বাহিনী বেশ কয়েকজন মার্কিন নাগরিককে আটক করেছে। এটি ট্রাম্প প্রশাসনের ক্রমবর্ধমান চাপের মধ্যে ঘটেছে। মার্কিন কর্মকর্তা আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
কিছু বন্দীর বিরুদ্ধে বৈধ ফৌজদারি অভিযোগ রয়েছে। মার্কিন সরকার কমপক্ষে দুই বন্দীকে অন্যায়ভাবে আটক করেছে বলে মনে করে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে তিনজন ভেনেজুয়েলীয়-আমেরিকান দ্বৈত পাসপোর্টধারী রয়েছেন। ভেনেজুয়েলার সাথে কোনো পরিচিত সংযোগ নেই এমন দুইজন মার্কিন নাগরিককেও আটক করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের অনুমতি না থাকায় ওই কর্মকর্তা বেনামে কথা বলেছেন।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিদেশে আটক আমেরিকানদের মুক্তির বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। তিনি বন্দী বিনিময়ের বিষয়ে আলোচনা করতে রিচার্ড গ্রেনেলকে ভেনেজুয়েলায় পাঠিয়েছেন। এরপর মার্কিন ও ভেনেজুয়েলার কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা হয়।
প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর একটি ইতিহাস আছে। তিনি ওয়াশিংটনের সাথে দর কষাকষির হাতিয়ার হিসেবে আটক আমেরিকানদের ব্যবহার করেছেন। ট্রাম্প প্রশাসন ভেনেজুয়েলার উপর সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপ বাড়িয়েছে।
মার্কিন সরকার সম্ভবত আটক নাগরিকদের মুক্তির জন্য আলোচনা চালিয়ে যাবে। ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরও পদক্ষেপের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment