জাপানের প্রায় ৬০ জন নারী আইনপ্রণেতা, যার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচিও রয়েছেন, সংসদে তাদের বর্ধিত সংখ্যার জন্য আরও বেশি শৌচাগার চেয়ে একটি আবেদন জমা দিয়েছেন। আবেদনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈষম্য তুলে ধরা হয়েছে: টোকিওর কেন্দ্রস্থলে ডায়েটের প্রধান প্লেনারি সেশন হলের কাছে নিম্নকক্ষে ৭৩ জন নারীর জন্য মাত্র একটি শৌচাগার রয়েছে, যেখানে দুটি কিউবিকল রয়েছে।
পর্যাপ্ত সুবিধার অভাব জাপানি রাজনীতিতে নারীরা যে চলমান চ্যালেঞ্জগুলোর মুখোমুখি হচ্ছেন, তা প্রতিফলিত করে, যা সাম্প্রতিক অগ্রগতি সত্ত্বেও মূলত পুরুষ-শাসিত। প্রতিবেদন অনুসারে, প্লেনারি অধিবেশনগুলির আগে প্রায়শই শৌচাগারের বাইরে দীর্ঘ সারি দেখা যায়, যা উন্নত অবকাঠামোর জরুরি প্রয়োজনকে তুলে ধরে।
আবেদনে তাকাইচির সম্পৃক্ততা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে তিনি নর্ডিক দেশগুলোর মতো লিঙ্গ সমতা চেয়েছিলেন বটে, তবে তিনি তার মন্ত্রিসভায় মাত্র দু'জন নারীকে নিযুক্ত করেছেন। এই পরিস্থিতি বিদ্যমান রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে লিঙ্গ সমতা অর্জনের জটিলতাকেই তুলে ধরে।
জাপানি সংসদে নারীদের বর্ধিত প্রতিনিধিত্ব একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হলেও, এটি অবকাঠামোগত দুর্বলতাগুলোকে উন্মোচিত করেছে যা তাদের পূর্ণ অংশগ্রহণে বাধা দেয়। এই আবেদনটি একটি অনুস্মারক যে প্রকৃত লিঙ্গ সমতার জন্য কেবল প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোই নয়, মৌলিক চাহিদা এবং একটি সহায়ক পরিবেশও প্রয়োজন।
জাপানের এই পরিস্থিতি রাজনীতিতে নারীদের মুখোমুখি হওয়া বৃহত্তর বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জগুলোর প্রতিচ্ছবি, যেখানে অপর্যাপ্ত সুবিধা এবং পদ্ধতিগত পক্ষপাতিত্ব তাদের অগ্রগতিতে বাধা দিতে পারে। আইনজীবীরা আশা করছেন যে এই আবেদন জাপানি সংসদে অর্থবহ পরিবর্তন আনবে এবং লিঙ্গ সমতার জন্য সংগ্রামরত অন্যান্য দেশেও অনুরূপ উদ্যোগকে অনুপ্রাণিত করবে। পরবর্তী পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে আবেদনের সংসদীয় পর্যালোচনা এবং অতিরিক্ত শৌচাগার নির্মাণের জন্য সম্ভাব্য সম্পদ বরাদ্দ।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment