জাপানের প্রায় ৬০ জন মহিলা আইনপ্রণেতা, যার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচিও রয়েছেন, সংসদে তাদের ক্রমবর্ধমান সংখ্যার সাথে সঙ্গতি রেখে আরও বেশি শৌচাগার নির্মাণের জন্য একটি আবেদন জমা দিয়েছেন। আবেদনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈষম্য তুলে ধরা হয়েছে: টোকিওর কেন্দ্রে ডায়েটের প্রধান প্লেনারি সেশন হলের কাছে নিম্নকক্ষের ৭৩ জন মহিলা সদস্যের জন্য মাত্র একটি শৌচাগার রয়েছে, যেখানে দুটি কিউবিকল রয়েছে।
পর্যাপ্ত সুবিধার অভাব জাপানি রাজনীতিতে মহিলাদের মুখোমুখি হওয়া চলমান চ্যালেঞ্জগুলোকে প্রতিফলিত করে, যা সাম্প্রতিক অগ্রগতি সত্ত্বেও মূলত পুরুষ-শাসিত। গত নির্বাচনে সংসদে মহিলাদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং তাকাইচি অক্টোবরে প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হন। তবে অবকাঠামো এই বর্ধিত প্রতিনিধিত্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারেনি।
আবেদনে বলা হয়েছে, "প্লেনারি অধিবেশন শুরু হওয়ার আগে, অনেক মহিলা আইনপ্রণেতাকে সত্যিই শৌচাগারের সামনে দীর্ঘ সারি তৈরি করতে হয়," যা সীমিত সুবিধার কারণে দৈনিক অসুবিধা এবং সম্ভাব্য ব্যাঘাতের ওপর জোর দেয়।
সানায়ে তাকাইচি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে রাজনীতিতে লিঙ্গ সমতার ক্ষেত্রে নর্ডিক দেশগুলোর মতো পর্যায়ে পৌঁছানোর আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছিলেন, কিন্তু তার মন্ত্রিসভার নিয়োগে অন্য দু'জন মহিলা ছিলেন মাত্র। এই পরিস্থিতি জাপানে লিঙ্গ সমতার জন্য বৃহত্তর সংগ্রামকে তুলে ধরে, যেখানে মহিলারা বিভিন্ন খাতে পদ্ধতিগত বাধার সম্মুখীন হতে থাকেন।
আরও বেশি শৌচাগারের জন্য করা আবেদনটি বিশ্বব্যাপী মহিলাদের প্রভাবিত করে এমন বৃহত্তর সমস্যাগুলোর একটি ক্ষুদ্র দৃষ্টান্ত, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্তিমূলক অবকাঠামো এবং ক্ষমতার অবস্থানে ন্যায্য প্রতিনিধিত্বের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। জাপানি পার্লামেন্টের বর্তমান পরিস্থিতি রাজনৈতিক জীবনে মহিলাদের অংশগ্রহণ এবং সাফল্যকে সমর্থন করার জন্য ব্যবহারিক চাহিদাগুলো মোকাবিলার গুরুত্ব তুলে ধরে। আবেদনটি বর্তমানে সংসদীয় কর্তৃপক্ষের পর্যালোচনার অধীনে রয়েছে এবং পরবর্তী পদক্ষেপগুলো এখনও দেখার বিষয়।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment