ইসরায়েলের নতুন নিয়ম অনুযায়ী ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস সহ কয়েক ডজন আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাকে গাজায় প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাগুলো সতর্ক করে দিয়েছিল যে গাজার বর্তমানে ইসরায়েল যতটুকু ওষুধ, তাঁবু ও খাদ্য সরবরাহ করছে, তার চেয়ে অনেক বেশি প্রয়োজন। এই পদক্ষেপটি সেই সতর্কবার্তার পরেও নেওয়া হয়েছে।
এনপিআর-এর আয়া বাত্রাওয়ির মতে, নতুন এই বিধিনিষেধের কারণে অন্তত ৩৭টি সাহায্য সংস্থা গাজায় কয়েক দশক ধরে যেভাবে কাজ করছিল, তা বন্ধ হয়ে যাবে। এই সংস্থাগুলোর মধ্যে ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস (এমএসএফ)-এর মতো সুপরিচিত সংস্থা রয়েছে, যারা এই অঞ্চলে হাসপাতালের ওয়ার্ড, ক্লিনিক এবং মানসিক স্বাস্থ্য কর্মসূচি পরিচালনা করে।
ইসরায়েলের এই সিদ্ধান্তটি এমন এক সময়ে এসেছে, যখন দুই বছর ধরে সংঘাত চলছে, যার ফলে মানবিক প্রয়োজন বাড়ছে, অথচ সাহায্য সংস্থাগুলোর প্রবেশাধিকার সীমিত করা হচ্ছে। ইসরায়েলের এই সিদ্ধান্তের পেছনের নির্দিষ্ট কারণগুলো তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয়, তবে এই নিষেধাজ্ঞার ফলে গাজার দুর্বল জনগোষ্ঠীর ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
এই নিষেধাজ্ঞার তাৎপর্য অনেক, বিশেষ করে গাজাবাসী তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য আন্তর্জাতিক সাহায্যের ওপর নির্ভরশীল। এমএসএফ-এর মতো সংস্থাগুলোর অনুপস্থিতি অঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে এবং বিদ্যমান মানবিক সংকটকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
২০২৫ সালের ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত, নিষিদ্ধ সংস্থাগুলো ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের কাছে এর কারণ জানতে চাইছে এবং এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার সম্ভাব্য উপায়গুলো খতিয়ে দেখছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে, এবং অনেকেই গাজার জনগণের জন্য এর সম্ভাব্য পরিণতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment