জার্মানির গেলসেনকিরখেনে স্পার্কাসে গেলসেনকিরখেন ব্যাংক শাখার ভল্ট ভেঙে এবং সেফটি ডিপোজিট বক্সগুলোতে প্রবেশ করে মুখোশধারী চোরেরা গত সপ্তাহে কয়েক মিলিয়ন ইউরো নিয়ে পালিয়েছে। পুলিশের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডাকাতরা একটি আর্কাইভ কক্ষের মাধ্যমে ব্যাংকে প্রবেশ করে এবং ভল্টে ঢোকার জন্য একটি পুরু দেয়াল ছিদ্র করে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চোরেরা ব্যাংকের সেফ ডিপোজিট বক্সগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছিল এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বক্স খুলতে সক্ষম হয়েছিল। স্পার্কাসে গেলসেনকিরখেন জানিয়েছে যে শাখাটির প্রায় ৯৫ শতাংশ, অর্থাৎ ৩,২৫০টি ব্যক্তিগত লকবক্সের নিরাপত্তা ভেদ করা হয়েছে। চুরি যাওয়া সামগ্রীর বীমাকৃত মূল্য আনুমানিক কমপক্ষে ৩ কোটি ১০ লক্ষ ইউরো, যা প্রায় ৩ কোটি ৬০ লক্ষ ডলারের সমান।
এই ডাকাতির ব্যাপকতা জার্মানির অন্যান্য বড় ডাকাতির সঙ্গে তুলনা টেনেছে, যার মধ্যে ২০১৯ সালের গ্রিন ভল্ট ডাকাতিও রয়েছে। ঘটনার প্রাথমিক প্রতিবেদনগুলোতে তেমন মনোযোগ আকর্ষণ করা হয়নি, তবে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে চুরির সম্পূর্ণ মাত্রা স্পষ্ট হয়ে ওঠায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এটিকে সাম্প্রতিক জার্মান ইতিহাসের অন্যতম দুঃসাহসিক ব্যাংক ডাকাতি হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
চোরদের ব্যবহৃত পদ্ধতি থেকে ব্যাংকের বিন্যাস সম্পর্কে একটি পরিকল্পনা এবং জ্ঞানের পরিচয় পাওয়া যায়। পুলিশি তদন্ত চলছে, অপরাধীদের শনাক্তকরণ এবং চুরি যাওয়া সম্পদ পুনরুদ্ধারের দিকে নজর রাখা হচ্ছে। এই ঘটনা ব্যাংক নিরাপত্তা প্রোটোকল এবং সেফটি ডিপোজিট বক্সগুলোর দুর্বলতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
তদন্ত চলছে, কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল থেকে নিরাপত্তা ফুটেজ এবং ফরেনসিক প্রমাণ পরীক্ষা করছে। ব্যাংক ক্ষতির সম্পূর্ণ পরিমাণ নির্ধারণের জন্য কাজ করছে এবং আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের সহযোগিতা করছে। এই ঘটনাটি অঞ্চলের অন্যান্য ব্যাংক শাখাগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনার জন্য প্ররোচিত করেছে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment