২০২৫ সালে নিউ ইয়র্কের রন্ধনশিল্পে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন দেখা গেছে, যেখানে ব্লুমবার্গ নিউজ-এর খাদ্য সম্পাদক কেট ক্রেডার-এর মতে ভারতীয় খাবার বিশ্বের সেরা খাবারগুলির মধ্যে প্রথম সারিতে উঠে এসেছে। এই খ্যাতির উত্থান শহরের ভারতীয় রেস্তোরাঁ এবং খাদ্য ব্যবসার জন্য বাস্তব আর্থিক লাভের কারণ হয়েছে।
যদিও এই খাতের নির্দিষ্ট রাজস্বের পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়নি, শিল্প বিশ্লেষকরা উচ্চমানের ভারতীয় রেস্তোরাঁগুলিতে গড় বিলের পরিমাণে লক্ষণীয় বৃদ্ধি উল্লেখ করেছেন, যা ২০২৩ সালের তুলনায় ১৫-২০% বেশি বলে অনুমান করা হয়েছে। ভারতীয়-অনুপ্রাণিত খাদ্য স্টার্টআপগুলিতে বিনিয়োগও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল সংস্থাগুলি গত বছরে এই খাতে আনুমানিক ৫ কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে।
নিউ ইয়র্কে ভারতীয় খাবারের উত্থান ভোক্তাদের পছন্দের বিবর্তন এবং খাঁটি ও বিভিন্ন রান্নার অভিজ্ঞতার ক্রমবর্ধমান চাহিদার একটি বৃহত্তর প্রবণতাকে প্রতিফলিত করে। এই পরিবর্তনের কারণে রেস্তোরাঁ শিল্পের প্রতিষ্ঠিত খেলোয়াড়দেরও নিজেদের মানিয়ে নিতে হয়েছে, যার মধ্যে অনেকেই প্রতিযোগিতামূলক থাকার জন্য তাদের মেনুতে ভারতীয়-অনুপ্রাণিত খাবার এবং স্বাদ যুক্ত করছেন। বাজারের প্রভাব রেস্তোরাঁ ছাড়িয়ে সরবরাহ শৃঙ্খলেও বিস্তৃত হয়েছে, যেখানে বিশেষ উপকরণ এবং মশলার চাহিদা বেড়েছে, যা আমদানিকারক ও পরিবেশকদের উপকৃত করছে।
ভারতীয় খাদ্য শিল্প বিশ্বব্যাপী ক্রমাগত আকর্ষণ বাড়িয়ে চলেছে, যার কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে ভ্রমণ বৃদ্ধি, বিভিন্ন সংস্কৃতির সংস্পর্শ এবং কিছু ভারতীয় মশলা ও রান্নার পদ্ধতির সাথে জড়িত স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে ক্রমবর্ধমান ধারণা। এই প্রবণতা ভারতীয় খাদ্য সংস্থাগুলির জন্য তাদের প্রসার বাড়ানো এবং বৃহত্তর দর্শকদের চাহিদা মেটানোর সুযোগ তৈরি করেছে।
সামনের দিকে তাকালে, নিউ ইয়র্ক এবং বিশ্বব্যাপী ভারতীয় খাবারের ভবিষ্যৎ ইতিবাচক দেখা যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা এই খাতে ক্রমাগত প্রবৃদ্ধি আশা করছেন, যা উদ্ভাবন, রন্ধনসম্পর্কিত সৃজনশীলতা এবং খাঁটি ও স্বাদপূর্ণ খাবারের অভিজ্ঞতার স্থায়ী চাহিদা দ্বারা চালিত হবে। এই প্রবণতা ভারতীয় খাদ্য শিল্পে আরও বিনিয়োগ এবং সম্প্রসারণ ঘটাবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা উদ্যোক্তা এবং প্রতিষ্ঠিত ব্যবসা উভয়ের জন্যই নতুন সুযোগ তৈরি করবে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment