২০২৬ সালে ১৬০ কোটি মানুষের শাসনের পরিবর্তনে নির্বাচনের প্রস্তুতি
২০২৬ সালে সম্মিলিতভাবে ১৬০ কোটি মানুষের প্রতিনিধিত্বকারী ৪০টিরও বেশি দেশ জাতীয় পর্যায়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্ধারিত হয়েছে। এই প্রতিযোগিতাগুলো, যেগুলোতে সাধারণ, রাষ্ট্রপতি এবং সংসদীয় নির্বাচন অন্তর্ভুক্ত, বিশ্ব জনসংখ্যার প্রায় এক পঞ্চমাংশের শাসনের রূপ দিতে এবং দেশীয় নীতি, অর্থনৈতিক কৌশল এবং বিশ্ব জোটে প্রভাব ফেলতে প্রস্তুত।
মিয়ানমার ১১ জানুয়ারি দ্বিতীয় ধাপের ভোটগ্রহণের মাধ্যমে সাধারণ নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু করেছে, এরপর ২৫ জানুয়ারি তৃতীয় ধাপ অনুষ্ঠিত হবে। উগান্ডা ১৫ জানুয়ারি সাধারণ নির্বাচন করেছে এবং পর্তুগাল ১৮ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করেছে। ফেব্রুয়ারিতে কোস্টারিকা ১ ফেব্রুয়ারি এবং থাইল্যান্ড ৮ ফেব্রুয়ারি সাধারণ নির্বাচন করবে।
বাংলাদেশে ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ২০১৪ সালে শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের নেতৃত্বে একটি বিদ্রোহের পর এটি প্রথম জাতীয় ভোট। ভোটাররা জুলাই মাসের সনদ নিয়েও সিদ্ধান্ত নেবেন, যার বিশদ বিবরণ এখনও ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়নি।
এই নির্বাচনগুলোর ফলাফল দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উভয় ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে ক্ষমতার পরিবর্তন পরিবর্তিত বাণিজ্য চুক্তি, সংশোধিত পররাষ্ট্র নীতি এবং জলবায়ু পরিবর্তন ও মানবাধিকারের মতো বিষয়গুলোর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ঘটাতে পারে। আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং সরকারগুলো এই নির্বাচনগুলোর দিকে তীক্ষ্ণ নজর রাখছে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment