তাদের পদের ক্রমাগত চাহিদার মুখোমুখি হয়ে, অনেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ২০২৫ সালের ছুটির মরসুমে কাজ থেকে কৌশলগতভাবে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে আশ্রয় খুঁজেছেন, যা বাজারের কার্যকলাপ এবং কোম্পানির কর্মক্ষমতার উপর সম্ভাব্য প্রভাব ফেলতে পারে।
যদিও ছুটির মরসুমে সাধারণত ব্যবসার কাজকর্ম ধীর হয়ে যায়, সিইও-রা প্রায়শই তাদের ভূমিকাতে বাঁধা থাকেন, বিশেষ করে বেশি বিক্রির সময়কালে। তবে, ২০২৫ সালে একটি ক্রমবর্ধমান প্রবণতা দেখা গেছে: প্রধান নির্বাহীরা সক্রিয়ভাবে মিটিং বাতিল এবং ব্যক্তিগত কাজে নিযুক্ত হওয়ার মতো পদ্ধতির মাধ্যমে অবসর সময় বের করছেন। এই পরিবর্তনটি আপাতদৃষ্টিতে ছোট মনে হলেও, অনেক কোম্পানির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এটি উৎপাদনশীলতা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে।
এই প্রবণতা কতটা ব্যাপক তা সঠিকভাবে নির্ধারণ করা কঠিন, তবে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে মনে হয় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সিইও ব্যক্তিগত সময়কে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। সম্প্রতি ফো Fortune ম্যাগাজিনের একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যে যদিও বেশিরভাগ সিইও স্বীকার করেন যে তারা কখনই সম্পূর্ণরূপে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে পারবেন না, তবে একটি উল্লেখযোগ্য অংশ সীমা তৈরি করার জন্য কৌশল প্রয়োগ করছেন। এই কৌশলগুলির মধ্যে রয়েছে পারিবারিক কার্যকলাপের জন্য নির্দিষ্ট সময় বরাদ্দ করা থেকে শুরু করে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সম্পূর্ণরূপে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা। এই প্রবণতার সম্ভাব্য আর্থিক প্রভাব দ্বিমুখী। একদিকে, সতেজ এবং পুনরুজ্জীবিত একজন সিইও দীর্ঘমেয়াদে আরও ভালো কৌশলগত সিদ্ধান্ত এবং উন্নত কোম্পানির কর্মক্ষমতার দিকে নিয়ে যেতে পারেন। অন্যদিকে, তাৎক্ষণিকreper उपलब्धताর অভাবে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্ব হতে পারে, যা স্বল্প-মেয়াদী আর্থিক ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে।
বাজারের প্রেক্ষাপট এখানে গুরুত্বপূর্ণ। ন্যাশনাল রিটেইল ফেডারেশন অনুসারে, ২০২৫ সালের ছুটির মরসুমে ১.৩ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি খুচরা বিক্রয়ের পূর্বাভাস ছিল, যা অনেক ব্যবসার জন্য এটিকে তীব্র কার্যকলাপের সময় করে তুলেছিল। এই উচ্চ-ঝুঁকির পরিবেশে, একজন সিইও-র সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার সিদ্ধান্তকে হয় একটি পরিকল্পিত ঝুঁকি হিসাবে দেখা যেতে পারে, অথবা বার্নআউট এড়াতে একটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ হিসাবেও গণ্য হতে পারে।
এই প্রবণতা কর্ম-জীবনের ভারসাম্য নিয়ে একটি বৃহত্তর আলোচনার প্রতিফলন ঘটায়, এমনকি কর্পোরেট নেতৃত্বের সর্বোচ্চ স্তরেও। কোম্পানিগুলি ক্রমবর্ধমানভাবে কর্মীদের সুস্থতার গুরুত্ব উপলব্ধি করছে এবং সিইও-রাও একটি চাহিদাপূর্ণ কাজের সময়সূচী বজায় রাখার চাপে ভুগছেন। এই প্রবণতার দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব এখনও দেখার বাকি। এমনও হতে পারে যে এটি সিইও-রা তাদের ভূমিকার প্রতি কীভাবে অগ্রসর হন, তার একটি মৌলিক পরিবর্তন চিহ্নিত করবে, যেখানে ব্যক্তিগত সুস্থতা এবং টেকসই নেতৃত্বের উপর আরও বেশি জোর দেওয়া হবে। বিকল্পভাবে, এটি ২০২৫ সালের ছুটির মরসুমের অনন্য চাপের জন্য একটি অস্থায়ী সামঞ্জস্যও হতে পারে। এই উদীয়মান প্রবণতার প্রভাব সম্পূর্ণরূপে মূল্যায়ন করার জন্য ভবিষ্যতের কর্মক্ষমতা মেট্রিক্স এবং বাজার বিশ্লেষণের প্রয়োজন হবে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment