কে-পপ রেকর্ড লেবেল এডিওর, মেগাব্যান্ড নিউ জিন্স-এর ২০ বছর বয়সী সদস্য ড্যানিয়েল মার্শের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে। সোমবার তাকে দল থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর কয়েক মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়েছে। এডিওর কর্তৃক ঘোষিত এই মামলাটি এক বছর ধরে চলা বিরোধের ফলস্বরূপ, যেখানে ব্যান্ডটি খারাপ আচরণের অভিযোগ করে এবং তাদের চুক্তি বাতিল করার চেষ্টা করে।
ক্ষতিপূরণ মামলাটি অস্ট্রেলিয়ায় জন্মগ্রহণকারী গায়িকা মার্শ, তার পরিবারের একজন unnamed সদস্য এবং ব্যান্ডের প্রাক্তন প্রযোজক মিন হি-জিনকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে। এডিওর অভিযোগ করেছে যে পরিবারের সদস্য এবং মিন হি-জিন উভয়ই চুক্তি লঙ্ঘনের জন্য উল্লেখযোগ্যভাবে দায়ী, এবং আইনি পদক্ষেপের অংশ হিসাবে ক্ষতিপূরণ এবং জরিমানা চাওয়া হয়েছে।
এই আইনি লড়াইটি সিউলের একটি জেলা আদালত নিউ জিন্সের পাঁচ সদস্যকে এডিওরের সাথে তাদের চুক্তি মেনে চলতে বাধ্যবাধকতা দেওয়ার কয়েক মাস পরে শুরু হয়েছে, যা ২০২৯ সাল পর্যন্ত চলার কথা। এডিওরের মূল সংস্থা হাইব, কে-পপ সেনসেশন বিটিএস-এর পেছনের শক্তি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই বিরোধের সূত্রপাত সৃজনশীল নিয়ন্ত্রণ এবং আর্থিক ব্যবস্থা নিয়ে মতবিরোধের কারণে, যা ব্যান্ডের অসন্তুষ্টি এবং পরবর্তীতে এডিওর ত্যাগ করার প্রচেষ্টার দিকে পরিচালিত করে।
এই মামলাটি কে-পপ ইন্ডাস্ট্রির ভেতরের জটিল আইনি এবং চুক্তিভিত্তিক পরিস্থিতিকে তুলে ধরে, যেখানে শিল্পীদের ক্যারিয়ার প্রায়শই রেকর্ড লেবেলের সাথে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তির মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এই চুক্তিগুলিতে সাধারণত শিল্পী ব্যবস্থাপনা, সঙ্গীত প্রযোজনা এবং রাজস্ব ভাগাভাগির শর্তাবলী উল্লেখ করা হয়। শিল্পীরা যখন মনে করেন যে তাদের অধিকার পর্যাপ্তভাবে সুরক্ষিত হচ্ছে না অথবা যখন সৃজনশীল পার্থক্য দেখা দেয়, তখন বিরোধ দেখা দিতে পারে।
এই মামলাটি সঙ্গীত শিল্পে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভূমিকা সম্পর্কেও প্রশ্ন তোলে। এআই ক্রমবর্ধমানভাবে সঙ্গীত প্রযোজনা, বিপণন এবং এমনকি ভার্চুয়াল শিল্পী তৈরি করার জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে, এআই-উত্পাদিত সামগ্রীর আইনি প্রভাব এবং এআই-এর সাথে সম্পর্কিত মানব শিল্পীদের অধিকার মূলত অসংজ্ঞায়িত। এআই ক্রমাগত বিকশিত হওয়ার সাথে সাথে, সঙ্গীত শিল্পকে অবশ্যই ন্যায্য আচরণ এবং সমস্ত স্টেকহোল্ডারদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য এই সমস্যাগুলি সমাধান করতে হবে।
মামলার বর্তমান অবস্থা হল এডিওর সিউলের একটি আদালতে অভিযোগ দায়ের করেছে এবং ড্যানিয়েল মার্শ এবং অন্যান্য অভিযুক্তদের আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে জবাব দেওয়ার কথা রয়েছে। মামলার জটিলতা এবং উভয় পক্ষের মীমাংসা করার ইচ্ছার উপর নির্ভর করে আইনি প্রক্রিয়াটি সমাধান হতে কয়েক মাস বা এমনকি কয়েক বছরও লাগতে পারে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment