২০১৭ এবং ২০১৮ সালে পরিচালিত খননকার্যে, মোট ১৭০টি মানব হাড়ের টুকরা পাওয়া গেছে, যা দেখে মনে হয় একজন প্রাপ্তবয়স্ক মহিলার, যাঁর উচ্চতা ১.৫ মিটারের (৫ ফুট) কম ছিল। হাড়ের টুকরাগুলি দুটি স্তূপে পাওয়া গেছে, যা ছাই, কাঠকয়লা এবং পলির স্তরের সাথে মেশানো ছিল। চিতাপীঠের সাইটে মাঠকর্মী দলে জেসিকা থম্পসন ছিলেন।
গবেষকরা মনে করেন যে এই আবিষ্কারটি প্রাচীন আফ্রিকান সম্প্রদায়ের জটিলতা এবং পরিশীলতা সম্পর্কে আগের অনুমানগুলোকে চ্যালেঞ্জ করে। একটি শ্মশান চিতার উপস্থিতি মৃত্যুর প্রতি একটি ইচ্ছাকৃত এবং আচার-অনুষ্ঠানমূলক পদ্ধতির ইঙ্গিত দেয়, যা এই যুগের শিকারী-সংগ্রাহক গোষ্ঠীর মধ্যে পূর্বে কম মূল্যায়ন করা সামাজিক এবং প্রতীকী আচরণের একটি স্তরকে তুলে ধরে।
এই আবিষ্কার প্রাচীন মানুষদের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পর্কে একটি বিরল ঝলক দেখায়। মহিলার ইচ্ছাকৃত দাহ মৃত্যুর পরবর্তী জীবন এবং এর সাথে জড়িত নির্দিষ্ট বিশ্বাস এবং অনুশীলনের ইঙ্গিত দেয়। হাড়ের টুকরা এবং আশেপাশের উপকরণগুলির আরও বিশ্লেষণ মহিলার জীবন, তাঁর সম্প্রদায় এবং তাঁদের সংস্কৃতিতে শ্মশানের তাৎপর্য সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য সরবরাহ করতে পারে।
গবেষণা দল চিতা করার পদ্ধতি এবং যারা এটি করত তাদের সম্পর্কে আরও বিস্তৃত ধারণা পেতে সাইটটি অধ্যয়ন এবং উদ্ধারকৃত উপকরণগুলি বিশ্লেষণ করা চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছে। এই আবিষ্কারের মধ্যে আফ্রিকার প্রথম দিকের মানুষের আচরণ এবং জটিল সামাজিক কাঠামোর বিকাশ সম্পর্কে আমাদের ধারণাকে নতুন আকার দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment