গাজায় একটি যুদ্ধবিরতি, যা 2025 সালের শেষের দিকে কার্যকর করা হয়, চলমান হতাহতের ঘটনা সত্ত্বেও অঞ্চলটির ওপর থেকে বিশ্ব মনোযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিয়েছে। ফিলিস্তিনি লেখিকা ইমান আবু জায়েদ জানিয়েছেন যে নভেম্বরের পর থেকে গাজার খবর নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি উদযাপিত হলেও, যুদ্ধবিরতি ইসরায়েলি সামরিক অভিযান বন্ধ করতে পারেনি, যার ফলে 400 জনের বেশি মানুষ মারা গেছে। অবকাঠামো ধ্বংসের কারণে আরও অনেকে মারা গেছেন।
দু'বছর ধরে শত্রুতা বন্ধ করার ব্যর্থ চেষ্টার পর এই যুদ্ধবিরতি হয়। গাজায় প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া আশাব্যঞ্জক ছিল, কিন্তু ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকায় দ্রুত উদ্বেগে পরিণত হয়। আবু জায়েদ উল্লেখ করেছেন যে গাজা থেকে তার প্রতিবেদনের প্রতি সামাজিক মাধ্যম এবং গণমাধ্যমের আগ্রহ কমে গেছে।
বিশ্বের মনোযোগ হ্রাস পাওয়ার কারণে সাহায্য প্রচেষ্টা ব্যাহত হচ্ছে এবং চলমান মানবিক সংকট অস্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নীরব প্রতিক্রিয়া মৃত্যুর জন্য জবাবদিহিতা এবং অঞ্চলের ভবিষ্যৎ স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
গাজা বারবার সংঘাত ও যুদ্ধবিরতির শিকার হয়েছে, যার ফলে এর অবকাঠামো বিধ্বস্ত এবং জনসংখ্যা দুর্বল হয়ে পড়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি তুলনামূলক শান্ত সময়েও আন্তর্জাতিক সচেতনতা এবং সমর্থন বজায় রাখার চ্যালেঞ্জকে তুলে ধরে, এমনকি যখন সহিংসতা অব্যাহত থাকে।
ভবিষ্যতের প্রতিবেদনগুলোতে বিশ্ব মনোযোগ হ্রাসের দীর্ঘমেয়াদী পরিণতি এবং একটি টেকসই সমাধানের সম্ভাবনাগুলোর ওপর আলোকপাত করা হবে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment