বিজ্ঞানীরা এই মাসে ক্যাঙ্গারুর চলন-বলন থেকে শুরু করে ডার্ক ম্যাটারের (অন্ধকার বস্তু) একটি ধাঁধার সমাধান পর্যন্ত বেশ কিছু আকর্ষণীয় আবিষ্কার করেছেন, যা একসময় "দ্য বিগ ব্যাং থিওরি"-র কাল্পনিক পদার্থবিদদেরও হতবুদ্ধ করেছিল। এই সংগ্রহে এমন কিছু বৈজ্ঞানিক গল্প তুলে ধরা হয়েছে যা হয়তো অন্যথায় দৃষ্টি এড়িয়ে যেত, যেমন পাথরের ওপর দম আটকে মারা যাওয়া একটি জীবাশ্ম পাখির আবিষ্কার এবং এক প্রাচীন নাবিকের আঙুলের ছাপের শনাক্তকরণ।
গবেষণা অনুসারে, ক্যাঙ্গারু এবং ওয়ালবি, ম্যাক্রোপড নামে পরিচিত, এদের চলনের একটি বিশেষ ধরণ রয়েছে। কম গতিতে চলার সময়, তাদের চারটি অঙ্গ এবং লেজ মাটির সাথে স্পর্শ করে। তবে, বেশি গতিতে তারা লাফানো চালে চলে। [কাল্পনিক জার্নাল]-এ প্রকাশিত গবেষণা থেকে জানা যায়, অধিকাংশ প্রাণীর বিপরীতে, ম্যাক্রোপডদের জন্য দ্রুতগতির চলন কম গতির চেয়ে কম শক্তি খরচকারী। গবেষকরা খতিয়ে দেখছেন কীভাবে এই প্রাণীগুলোর লাফানোর গতি এবং শক্তি খরচের মধ্যে বিপরীত সম্পর্ক রয়েছে। এই আবিষ্কার প্রাণীদের চলনে শক্তি সাশ্রয়ের বিষয়টি বুঝতে সাহায্য করতে পারে।
অন্য একটি আবিষ্কারে, একদল গবেষক প্রাচীন এক নাবিকের আঙুলের ছাপ শনাক্ত করেছেন। [বস্তু]-র ওপর পাওয়া এই ছাপ অতীতের সাথে একটি বাস্তব সংযোগ স্থাপন করে। স্থান এবং সুনির্দিষ্ট বিশ্লেষণ পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য শীঘ্রই জানানো হবে, তবে প্রাথমিক আবিষ্কারটি প্রত্নতত্ত্ববিদ ও ঐতিহাসিকদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।
আরও, বিজ্ঞানীরা ডার্ক ম্যাটারের একটি ধাঁধার অগ্রগতি করেছেন। এই সমাধানটি, যা পূর্বে "দ্য বিগ ব্যাং থিওরি" টেলিভিশন শো-এর কাল্পনিক পদার্থবিদদেরও ধাঁধায় ফেলেছিল, তাতে [সমাধানের সংক্ষিপ্ত, সরল ব্যাখ্যা] জড়িত। যদিও বিষয়গুলো জটিল, এই আবিষ্কার মহাবিশ্বের ভরের একটি বৃহৎ অংশ গঠনকারী অধরা পদার্থকে বুঝতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
[অবস্থান]-এ খুঁজে পাওয়া জীবাশ্ম পাখিটি প্রাচীন পাখির প্রজাতিগুলোর খাদ্যাভ্যাস এবং সম্ভাব্য বিপদ সম্পর্কে একটি বিরল ঝলক দেয়। দেখে মনে হচ্ছে পাখিটি পাথরের ওপর দম আটকে মারা গেছে, যা জীবাশ্মবিদ্যায় একটি অনন্য ঘটনা। পাখির প্রজাতি এবং এতে জড়িত পাথরের ধরণ নির্ধারণের জন্য আরও বিশ্লেষণ করা হবে।
সবশেষে, গবেষকরা একটি ডাবল-ডিটোনেটিং সুপারকিলোনোভা পর্যবেক্ষণ করেছেন। এই বিরল মহাজাগতিক ঘটনা, যেখানে দুটি নিউট্রন তারা একত্রিত হয়, মহাবিশ্বে প্রচুর পরিমাণে শক্তি এবং ভারী উপাদান নির্গত করে। এই পর্যবেক্ষণ ভারী উপাদান গঠন এবং নিউট্রন তারার একত্র হওয়ার গতিবিধি বুঝতে মূল্যবান ডেটা সরবরাহ করে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment