ফরাসি সরকার এই সপ্তাহে নিশ্চিত করেছে যে তারা জর্জ ক্লুনি, তাঁর স্ত্রী আমাল ক্লুনি এবং তাঁদের ৭ বছর বয়সী যমজ সন্তানদের নাগরিকত্ব দিয়েছে। গত সপ্তাহান্তে ফরাসি সরকারের বুলেটিনে প্রকাশিত ঘোষণাটি হলিউড তারকা এবং ফ্রান্সের মধ্যে একটি আনুষ্ঠানিক সংযোগ স্থাপন করেছে, যেখানে পরিবারটি ২০২১ সালে একটি প্রধান আবাস তৈরি করে।
মূলত কেন্টাকির লেক্সিংটন এবং লেবাননের বৈরুত থেকে আসা ক্লুনিরা কয়েক বছর আগে ফ্রান্সের প্রোভেন্সে একটি ১৮ শতকের এস্টেট কিনেছিলেন। এস্কোয়ারের সাথে অক্টোবরের একটি সাক্ষাৎকারে জর্জ ক্লুনি লস অ্যাঞ্জেলেসে তাঁর সন্তানদের লালন-পালন করা নিয়ে উদ্বেগের কথা উল্লেখ করেছেন, যা ফ্রান্সে স্থানান্তরিত হওয়ার সিদ্ধান্তের মূল কারণ ছিল। ক্লুনি বলেছিলেন, "আমি লস অ্যাঞ্জেলেসে, হলিউডের সংস্কৃতিতে আমাদের সন্তানদের মানুষ করা নিয়ে চিন্তিত ছিলাম।" তিনি তাঁর সন্তানদের upbringing-এর জন্য একটি ভিন্ন পরিবেশের আকাঙ্ক্ষার কথা জানান।
ক্লুনিদের ফরাসি নাগরিকত্ব অর্জন জর্জ ক্লুনি এবং প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিবাদকে পুনরায় উস্কে দিয়েছে। সর্বশেষ বিতর্কের নির্দিষ্ট বিবরণ প্রকাশ না করা হলেও, রাজনৈতিক ও সামাজিক বিষয় নিয়ে তাঁরা বহুবার প্রকাশ্যে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছেন। তাঁদের অতীতের মতবিরোধ প্রায়শই গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে, যেখানে উভয় ব্যক্তিত্ব একে অপরের দৃষ্টিভঙ্গি ও কাজের সমালোচনা করার জন্য তাঁদের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করেছেন।
ফরাসি সরকারের নাগরিকত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত দেশটির বৃহত্তর অভিবাসন নীতি এবং শিল্প ও বিনোদন শিল্পে আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বদের কাছে এর আবেদনকে প্রতিফলিত করে। ফ্রান্স, অনেক দেশের মতো, নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট মানদণ্ড রয়েছে, যা প্রায়শই residency, বিনিয়োগ বা দেশের সংস্কৃতি বা অর্থনীতিতে অবদানের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়। ক্লুনিদের residency এবং তাঁদের উচ্চ পরিচিতি সম্ভবত সফল আবেদনের ক্ষেত্রে অবদান রেখেছে।
ক্লুনির ফরাসি নাগরিকত্বের প্রভাব প্রাথমিকভাবে ব্যক্তিগত, যা তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে অবাধে বসবাস ও কাজ করার অনুমতি দেবে। তবে, এই ঘটনাটি প্রতীকী তাৎপর্যও বহন করে, যা বিশ্ব নাগরিকত্বের ক্রমবর্ধমান আন্তঃসংযুক্ততা এবং জাতীয় affiliation-এর বিষয়ে ব্যক্তিদের পছন্দের উপর আলোকপাত করে। এই উন্নয়নের ফলে ক্লুনির মার্কিন নাগরিকত্বের উপর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা নেই। তাঁদের নিজ নিজ প্রচারকদের মতে, ক্লুনি এবং ট্রাম্প উভয়ের কাছ থেকে আরও বিবৃতি আগামী দিনে প্রত্যাশিত।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment