এই পদক্ষেপটি এমন এক সময়ে এলো যখন এসটিসি-সংশ্লিষ্ট যোদ্ধারা গত মাসে সৌদি-সমর্থিত বাহিনীর কাছ থেকে দুটি দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশের নিয়ন্ত্রণ নেয়, যার মধ্যে রয়েছে দক্ষিণের প্রধান শহর এডেনে অবস্থিত প্রেসিডেন্ট প্যালেস। জটিল রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং চলমান সংঘাতের কারণে এই ঘোষণা কার্যকর করা যাবে কিনা, নাকি এটি মূলত প্রতীকী, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
এসটিসি দক্ষিণ ইয়েমেনের রাষ্ট্র পুনরুদ্ধার করতে চায়, যা ১৯৯০ সাল পর্যন্ত একটি স্বাধীন জাতি হিসেবে বিদ্যমান ছিল, যখন এটি উত্তর ইয়েমেনের সাথে একীভূত হয়। এই একীভূতকরণ উত্তেজনাপূর্ণ ছিল, যার ফলে সময়ে সময়ে সংঘাতের সূত্রপাত হয়েছে এবং দক্ষিণে একটি অবিরাম বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন চলছে। ২০১৪ সালে শুরু হওয়া বর্তমান গৃহযুদ্ধ এই বিভাজনগুলোকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
ইয়েমেনের সংঘাত একটি ছায়া যুদ্ধে পরিণত হয়েছে, যেখানে সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত একে অপরের বিরোধী দলগুলোকে সমর্থন করার মাধ্যমে একে অপরের বিরুদ্ধে লিপ্ত। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার সৌদি আরব কর্তৃক সমর্থিত, অন্যদিকে এসটিসি সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে সমর্থন পায়। এই গতিশীলতা একটি শান্তিপূর্ণ সমাধানে পৌঁছানোর প্রচেষ্টাকে জটিল করে তুলেছে এবং দেশটির দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতায় অবদান রেখেছে।
একটি স্বাধীন দক্ষিণের জন্য সংবিধানের ঘোষণা সম্ভবত শান্তি প্রচেষ্টাকে আরও জটিল করে তুলবে এবং একটি বৃহত্তর গৃহযুদ্ধকে পুনরায় উস্কে দিতে পারে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বারবার সংঘাতের একটি আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তির আহ্বান জানিয়েছে, কিন্তু এখন পর্যন্ত এই প্রচেষ্টাগুলো ব্যর্থ হয়েছে। জাতিসংঘ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো যুদ্ধের ভয়াবহ মানবিক পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করেছে, যা লক্ষ লক্ষ ইয়েমেনিকে সহায়তার প্রয়োজনীয় করে তুলেছে। বিভিন্ন পক্ষ ক্ষমতা এবং নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা অব্যাহত রাখায় ইয়েমেনের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত রয়ে গেছে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment