কলম্বিয়ার রাষ্ট্রপতি গুস্তাভো পেত্রো কারাকাসে একাধিক হামলার কথা নিশ্চিত করেছেন, যেখানে একটি সামরিক বিমান ঘাঁটি, সরকারি স্থাপনা এবং আইনসভা ভবন লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। পেত্রো বলেন, "এটি ভেনেজুয়েলা এবং লাতিন আমেরিকার বিরুদ্ধে আগ্রাসন," এবং তিনি সংঘাত কমানোর আহ্বান জানান। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভেনেজুয়েলার অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে দেশটিতে ভেনেজুয়েলার সবচেয়ে বড় প্রবাসীদের আশ্রয়স্থল হলো কলম্বিয়া।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই হস্তক্ষেপ ওয়াশিংটন এবং কারাকাসের মধ্যে বছরের পর বছর ধরে চলা উত্তেজনাকর সম্পর্কের ফল, যা মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এবং মাদুরোর সরকারের বিরুদ্ধে স্বৈরাচারের অভিযোগ দ্বারা চিহ্নিত। ট্রাম্প প্রশাসন এর আগে বিরোধী নেতা হুয়ান গুয়াইদোকে ভেনেজুয়েলার বৈধ রাষ্ট্রপতি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল, যা উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তোলে। মাদুরোকে বন্দী করা এবং তাকে চিলির সান্তিয়াগোতে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া মার্কিন নীতির একটি নাটকীয় বৃদ্ধি।
ব্রাজিলও মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য অর্গানাইজেশন অফ আমেরিকান স্টেটস (OAS)-এর জরুরি বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছে। ব্রাজিল সরকার আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং সার্বভৌম দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার ওপর জোর দিয়েছে। রাজনৈতিক সংলাপের জন্য একটি আঞ্চলিক ফোরাম ওএএস, ভেনেজুয়েলার ইস্যুতে গভীরভাবে বিভক্ত, যা লাতিন আমেরিকার বৃহত্তর আদর্শিক মেরুকরণকে প্রতিফলিত করে।
পরিস্থিতি এখনও পরিবর্তনশীল, যা আরও বাড়তে পারে এবং আঞ্চলিক অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। ভেনেজুয়েলা এবং বৃহত্তর অঞ্চলের জন্য মার্কিন হস্তক্ষেপের দীর্ঘমেয়াদী পরিণতি এখনও দেখার বাকি। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় রাজনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তনের সাথে সাথে উন্নয়নগুলোর দিকে closely নজর রাখছে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment