কে-বিউটির বিশ্বব্যাপী আকর্ষণ হ্যাল্যু বা কোরিয়ান ওয়েভের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত, যা কে-পপ এবং কোরিয়ান নাটকগুলোকে আন্তর্জাতিক খ্যাতি এনে দিয়েছে। এই সাংস্কৃতিক ঘটনা একটি আগ্রহী দর্শক তৈরি করেছে, যারা কোরিয়ান সৌন্দর্য এবং পণ্য গ্রহণ করতে উৎসুক। এর প্রধান উদাহরণ হল শামুকের মিউকিন (snail mucin) মিশ্রিত সিরামের ভাইরাল হওয়া, যা টিকটক চ্যালেঞ্জের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা লাভ করে। ছোট দক্ষিণ কোরিয়ান লেবেল কসআরএক্স (CosRX) দ্বারা তৈরি এই আঠালো সিরামটি বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি লাভ করে এবং অবশেষে দক্ষিণ কোরিয়ার বৃহত্তম কসমেটিকস কোম্পানি অ্যামোরপ্যাসিফিক (Amorepacific) এটিকে অধিগ্রহণ করে।
সিউলে এশিয়া বিজনেস করেসপন্ডেন্ট সুরঞ্জনা তেওয়ারি উল্লেখ করেছেন যে, শামুকের মিউকিন সিরামের মতো পণ্যের দ্রুত বিস্তার কে-বিউটির অসাধারণ সাফল্যের দৃষ্টান্ত। তেওয়ারি ব্যাখ্যা করেছেন যে, ভাইরাল কনটেন্ট এবং ট্রেন্ডগুলো এই শিল্পের বৃদ্ধিতে ইন্ধন জুগিয়েছে, বিশেষ করে দক্ষিণ কোরিয়ায়, যেখানে নিখুঁত চেহারা বজায় রাখার জন্য সামাজিক চাপ তীব্র।
কে-বিউটি ইন্ডাস্ট্রির সাফল্য স্কিনকেয়ারের প্রতি এর উদ্ভাবনী পদ্ধতির উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে, যা প্রায়শই অনন্য উপাদান এবং উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে। উদ্ভাবনের উপর এই জোর, কার্যকর বিপণন কৌশল এবং কোরিয়ান ওয়েভের সাংস্কৃতিক প্রভাবের সংমিশ্রণে কে-বিউটি বিশ্ব কসমেটিকস বাজারের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ দখল করতে সক্ষম হয়েছে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment