গবেষকেরা মাইক্রোলেন্সিং ব্যবহার করে শনির আকারের একটি গ্রহকে "আইনস্টাইন মরুভূমিতে" সনাক্ত করেছেন। মাইক্রোলেন্সিং হলো এমন একটি কৌশল যা আলোর মহাকর্ষীয় বিকৃতির উপর নির্ভর করে। গাইয়া স্পেস টেলিস্কোপের অবস্থানের সহায়তায় এই আবিষ্কারটি এই অঞ্চলে প্রথম গ্রহ যা পাওয়া গেল, যা সম্ভবত ভবঘুরে গ্রহের উৎপত্তির উপর আলোকপাত করবে।
মাইক্রোলেন্সিং ঘটে যখন একটি গ্রহ পৃথিবী এবং একটি দূরবর্তী তারার মধ্যে দিয়ে যায়, যা একটি মহাকর্ষীয় লেন্স হিসাবে কাজ করে এবং তারার আলোকে বাঁকিয়ে বিবর্ধিত করে। এই পদ্ধতিটি অনন্য কারণ এটি বিশাল দূরত্বে গ্রহ সনাক্ত করতে পারে, অন্যান্য কৌশলগুলির বিপরীতে যা প্রাথমিকভাবে তাদের নক্ষত্রের চারপাশে কাছাকাছি কক্ষপথে গ্রহ খুঁজে পায়। অনেক ক্ষেত্রে, মাইক্রোলেন্সিং ভবঘুরে গ্রহগুলিকে প্রকাশ করে, যা নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ না করে আন্তঃনাক্ষত্রিক স্থান দিয়ে ভেসে বেড়ায়।
গবেষক দল মাইক্রোলেন্সিংয়ের অনন্য ক্ষমতা এবং গাইয়া স্পেস টেলিস্কোপ দ্বারা প্রদত্ত সুনির্দিষ্ট অ্যাস্ট্রোমেট্রির সুবিধা নিয়েছে। এটি তাদের নতুন আবিষ্কৃত গ্রহের অবস্থান চিহ্নিত করতে এবং আকার অনুমান করতে সহায়তা করেছে। "আইনস্টাইন মরুভূমি" এমন একটি অঞ্চলকে বোঝায় যেখানে বর্তমান পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির সীমাবদ্ধতার কারণে গ্রহ সনাক্তকরণ বিশেষভাবে কঠিন।
এই আবিষ্কার থেকে মনে করা হয় যে ভবঘুরে গ্রহ পূর্বে যা ভাবা হয়েছিল তার চেয়েও বেশি সাধারণ হতে পারে। তাদের গঠন এবং বিতরণ বোঝা গ্রহীয় সিস্টেমের সামগ্রিক গঠন এবং বিবর্তনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গ্রহটির বৈশিষ্ট্যগুলিকে আরও পরিমার্জন করতে এবং এর সম্ভাব্য উৎস অনুসন্ধানের জন্য আরও গবেষণা মাইক্রোলেন্সিং ঘটনার সময় সংগৃহীত ডেটা বিশ্লেষণের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করবে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment