২০২৬ সালের ৩ জানুয়ারি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ভেনেজুয়েলাতে আটক করা হয় এবং পরবর্তীতে মার্কিন ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ডিইএ) এজেন্টদের হেফাজতে নেওয়া হয়, র্যাপিড রেসপন্স ৪৭-এর এক্স-এ করা একটি পোস্টের স্ক্রিনগ্র্যাব অনুসারে, যা হোয়াইট হাউসের অফিসিয়াল র্যাপিড রেসপন্স অ্যাকাউন্ট। ছবিতে মাদুরোকে নিউ ইয়র্কের ডিইএ সদর দফতরের ভিতরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
আল জাজিরার মতে, এই আটকের আগে ভেনেজুয়েলায় একটি মার্কিন সামরিক অভিযান চালানো হয়, যেখানে বোমা হামলাও অন্তর্ভুক্ত ছিল। শনিবার ফ্লোরিডার মার-এ-লাগোতে একটি সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই অভিযানকে আমেরিকান সামরিক শক্তি ও দক্ষতার প্রমাণ হিসেবে প্রশংসা করেন। ট্রাম্প বলেন, "এটি আমেরিকান ইতিহাসে সবচেয়ে চমকপ্রদ, কার্যকর এবং শক্তিশালী প্রদর্শনীগুলির মধ্যে একটি ছিল।"
মার্কিন সামরিক অভিযান এবং মাদুরোর পরবর্তী আটক আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছ থেকে নিন্দা ও সমর্থন উভয়ই পেয়েছে। প্রতিবেদনের अनुसार, মার্কিন হামলার পর ভেনেজুয়েলা সাময়িকভাবে ব্রাজিলের সাথে তার সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে। এই অভিযানটি ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হস্তক্ষেপের বৈধতা এবং ন্যায্যতা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে, কিছু সমালোচক আন্তর্জাতিক আইন এবং ভেনেজুয়েলার সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
মার্কিন সরকার দীর্ঘদিন ধরে মাদুরোকে দুর্নীতি, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং মাদক পাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত করে আসছে। এই অভিযোগগুলি ভেনেজুয়েলার সরকারের উপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এবং চাপ বৃদ্ধির ন্যায্যতা হিসাবে কাজ করেছে। প্রতিবেদনের अनुसार, ট্রাম্প বলেছিলেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার তেল নেবে। রিপাবলিকানরা মূলত ট্রাম্পের পদক্ষেপকে সমর্থন করেছেন, যদিও কিছু ভিন্নমত দেখা গেছে।
পরিস্থিতি এখনও পরিবর্তনশীল, ভেনেজুয়েলার নেতৃত্বের ভবিষ্যৎ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে এর সম্পর্ক অনিশ্চিত। মার্কিন সরকার মাদুরোর বিরুদ্ধে অভিযোগ এবং ভেনেজুয়েলার ভবিষ্যতের জন্য তাদের পরিকল্পনা সম্পর্কে আগামী দিনে আরও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে, অনেকে সংকটের শান্তিপূর্ণ ও কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment