মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরো এখন মার্কিন হেফাজতে রয়েছেন, যা মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৃদ্ধি এবং বিশ্বব্যাপী স্বৈরাচারী শাসনের এই পদক্ষেপ অনুকরণ করার সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ফ্লোরিডার মার-এ-লাগো রিসোর্টে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প এই ঘোষণা দেন এবং বলেন যে "যতক্ষণ না আমরা একটি নিরাপদ, সঠিক এবং বিচক্ষণ পরিবর্তন করতে পারছি" ততক্ষণ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার দায়িত্বে থাকবে।
মাদুরোকে আটকের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য সামরিক শক্তি ব্যবহারের ইচ্ছাকে প্রদর্শন করে, যা আন্তর্জাতিক সম্পাদক জেরেমি বোয়েন বিশ্বব্যাপী স্বৈরাচারী শক্তিগুলোর জন্য একটি নজির স্থাপন করতে পারে বলে বর্ণনা করেছেন। ট্রাম্প প্রয়োজনে সৈন্য মোতায়েন করার ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, "প্রয়োজনে আমাদের সৈন্য নামাতে আমরা ভয় পাই না।"
রিপোর্ট অনুযায়ী, সেক্রেটারি অফ স্টেট মার্কো রুবিও ভেনেজুয়েলার ভাইস-প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের সাথে কথা বলেছেন, যিনি ট্রাম্পের মতে, সহযোগিতা করতে ইচ্ছুক ছিলেন এবং বলেছিলেন "আপনাদের যা প্রয়োজন আমরা করব... আমার মনে হয় তিনি বেশ অমায়িক ছিলেন, তবে তার কোনো উপায় নেই।"
এই পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব এবং এই নজিরের ভিত্তিতে অন্যান্য দেশগুলোর হস্তক্ষেপমূলক নীতিকে ন্যায্যতা দেওয়ার সম্ভাবনা সম্পর্কে প্রশ্ন তোলে। ভেনেজুয়েলার পরিবর্তন প্রক্রিয়া সম্পর্কে ট্রাম্পের কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট তথ্যের অভাব পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে ভেনেজুয়েলার রাজনীতিতে জড়িত, পূর্ববর্তী প্রশাসনগুলো মাদুরোর নেতৃত্ব এবং দেশটির অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তবে এই সর্বশেষ পদক্ষেপটি পূর্ববর্তী কৌশল থেকে একটি উল্লেখযোগ্য বিচ্যুতি, যা দেশটির নেতৃত্বে সরাসরি হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত দেয়। ভেনেজুয়েলারImmediate ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, কারণ যুক্তরাষ্ট্র এখন দেশটির পরিবর্তনের ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব নিয়েছে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment