নিকোলাস মাদুরোকে আটকের ফলে ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযানের পর রবিবার সন্ধ্যায় তেলের দাম সামান্য বেড়েছে। বিনিয়োগকারীরা এখন বিশ্ব তেল বাজারের উপর সম্ভাব্য প্রভাব মূল্যায়ন করছেন, যদিও বিশ্লেষকরা বলছেন যে এর স্বল্পমেয়াদী প্রভাব সীমিত হবে।
মার্কিন তেলের ফিউচার সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে, ব্যারেল প্রতি ০.১৯% বেড়ে ৫৭.৪৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে, যেখানে ব্রেন্ট ক্রুড ০.২৮% বেড়ে ব্যারেল প্রতি ৬০.৯২ ডলারে পৌঁছেছে, যা আগের ক্ষতি পুষিয়ে নিয়েছে। টরটয়েজ ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টের সিনিয়র পোর্টফোলিও ম্যানেজার রব হুমেলের মতে, এই লাভগুলি বিশ্বব্যাপী তেলের বাজারে অতিরিক্ত সরবরাহের কারণে হয়েছে, যা দামের উপর চাপ সৃষ্টি করেছে।
বাজারের এই মৃদু প্রতিক্রিয়া মূলত এই ধারণার প্রতিফলন যে বিশ্ব তেল পরিস্থিতিতে ভেনেজুয়েলার প্রভাব সাম্প্রতিক বছরগুলোতে হ্রাস পেয়েছে। বিশ্বের বৃহত্তম প্রমাণিত তেল মজুদ থাকা সত্ত্বেও, দেশটির উৎপাদন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, মাদুরো সরকারের कथित অব্যবস্থাপনা এবং বিনিয়োগের অভাবে ব্যাহত হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শনিবার বলেছিলেন যে মাদুরোর অপসারণ ভেনেজুয়েলার তেল শিল্পে বিনিয়োগের জোয়ার আনবে, যা উৎপাদন পুনরুদ্ধারের দিকে পরিচালিত করবে। তবে, বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে এই ধরনের পুনরুদ্ধার হতে কয়েক বছর লাগতে পারে। পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংস্থা (ওপেক) প্রথম ত্রৈমাসিকের মধ্যে উৎপাদন স্থিতিশীল রাখার সংকেত দিয়েছে, যা বর্তমান বাজারের গতিশীলতায় আরও অবদান রাখবে। আশা করা হচ্ছে সামনের সপ্তাহটি মার্কিন অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে, সম্ভবত এটি ট্রাম্প প্রশাসনের মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে ফিরে আসবে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment