নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন ভেনেজুয়েলার তেল উৎপাদন বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনার জন্য এই সপ্তাহে মার্কিন তেল কোম্পানিগুলোর নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনা করছে। প্রায় দুই দশক আগে মার্কিন-নেতৃত্বাধীন জ্বালানি কার্যক্রম জাতীয়করণের পর ভেনেজুয়েলায় প্রধান মার্কিন তেল কোম্পানিগুলোর উপস্থিতি পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য এই বৈঠকগুলোকে প্রশাসনের লক্ষ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
একই রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুসারে, এই আলোচনাগুলো মার্কিন বাহিনী কর্তৃক ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণের পরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রশাসন আশা করছে যে মার্কিন তেল কোম্পানিগুলো ভেনেজুয়েলায় বিনিয়োগ করবে।
তবে, সম্ভাব্য মার্কিন বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য বাধা রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ভেনেজুয়েলার অভ্যন্তরে পর্যাপ্ত অবকাঠামোর অভাব, দেশটির রাজনৈতিক ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা, তেল কার্যক্রম পরিচালনাকারী আইনি কাঠামো নিয়ে প্রশ্ন এবং ভেনেজুয়েলার প্রতি মার্কিন নীতির দীর্ঘমেয়াদী দিকনির্দেশনা।
মার্কিন তেল কোম্পানিগুলোর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পদক্ষেপটি ভেনেজুয়েলার প্রতি প্রশাসনের দৃষ্টিভঙ্গির একটি সম্ভাব্য পরিবর্তন নির্দেশ করে, যদিও প্রস্তাবিত নীতি পরিবর্তনের বিশদ বিবরণ এখনও অস্পষ্ট। এই বৈঠকগুলোর লক্ষ্য ভেনেজুয়েলার তেল খাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্ধিত সম্পৃক্ততার সম্ভাব্যতা এবং সম্ভাব্য সুবিধাগুলো অনুসন্ধান করা।
ভেনেজুয়েলায় কার্যক্রম পরিচালনার সঙ্গে জড়িত ঝুঁকি এবং অনিশ্চয়তার কারণে মার্কিন তেল কোম্পানিগুলো প্রশাসনের প্রস্তাবের প্রতি কীভাবে সাড়া দেবে, তা এখনও দেখার বিষয়। এই বৈঠকগুলোর ফলাফল ভেনেজুয়েলার তেল শিল্পের ভবিষ্যৎ এবং এই অঞ্চলের বৃহত্তর ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটকে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করতে পারে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment