মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি আপিল আদালত নিম্ন আদালতের রায় বহাল রেখেছে যা নির্বাহী বিভাগকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পরোক্ষ গবেষণা তহবিলের একতরফা कटौती করতে বাধা দেয়। এই পদক্ষেপটি দেশব্যাপী গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক স্থিতিশীলতার উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারত। এই সিদ্ধান্তের ফলে বিলিয়ন ডলারের গবেষণা তহবিল সুরক্ষিত হয়েছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অপরিহার্য পরিচালন ব্যয় মেটাতে ব্যবহার করে।
ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তাবিত নীতিমালার লক্ষ্য ছিল অবস্থান বা প্রকৃত খরচ নির্বিশেষে সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য পরোক্ষ খরচ পরিশোধ ১৫ শতাংশে সীমাবদ্ধ করা। এই পরোক্ষ খরচগুলো, যা সুবিধা ও প্রশাসনিক (F&A) খরচ নামেও পরিচিত, উচ্চ-ব্যয়বহুল অঞ্চলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে দেওয়া গবেষণা অনুদানের অর্ধেকেরও বেশি হতে পারে। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউটস অফ হেলথ (NIH), যা গবেষণা তহবিলের একটি প্রধান উৎস, এই নীতি পরিবর্তনের দ্বারা সরাসরি প্রভাবিত হত। যদি এই নীতিমালা কার্যকর করা হত, তবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের গবেষণা তহবিলের একটি বড় অংশ হারাতে পারত, যার ফলে কর্মী ছাঁটাই, প্রকল্প বিলম্বিত এবং যুগান্তকারী গবেষণার সক্ষমতা হ্রাস পেতে পারত।
আদালতের এই সিদ্ধান্ত একাডেমিক গবেষণা বাজারের স্থিতিশীলতা প্রদান করে, যা ফেডারেল তহবিলের উপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গবেষণা অবকাঠামো বজায় রাখার জন্য পরোক্ষ খরচ পুনরুদ্ধার ব্যবহার করে, যার মধ্যে রয়েছে গবেষণা প্রাণীদের জন্য বিশেষায়িত সুবিধা, উচ্চ-কার্যকারিতা সম্পন্ন কম্পিউটিং ক্লাস্টার এবং বিল্ডিং রক্ষণাবেক্ষণ। এই খরচগুলো সাধারণত আলোচনা ও নিরীক্ষা করা হয়, যা প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত ব্যয়ের প্রতিফলন ঘটায়। পরিশোধের ক্ষেত্রে আকস্মিক এবং চরম कटौती হলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র থেকে তহবিল সরিয়ে নিতে বাধ্য হত, যা শিক্ষামূলক কার্যক্রম এবং ছাত্র পরিষেবাগুলোকে প্রভাবিত করতে পারত।
প্রস্তাবিত নীতিমালার বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জটি শুরু করেছিল বেশ কয়েকটি রাজ্য এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল স্কুলগুলোর একটি বিস্তৃত জোটের প্রতিনিধিত্বকারী সংস্থাগুলো। তারা যুক্তি দিয়েছিল যে নির্বাহী বিভাগের প্রতিষ্ঠিত তহবিল পদ্ধতিতে এত বড় পরিবর্তন একতরফাভাবে চাপিয়ে দেওয়ার অধিকার নেই। জেলা আদালত প্রাথমিকভাবে একটি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করে, এরপর নীতিটি বাস্তবায়নের উপর স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করে। আপিল আদালতের সম্মতি ফেডারেল তহবিল বরাদ্দের ক্ষেত্রে কংগ্রেসের তদারকির গুরুত্বকে আরও জোরদার করে।
সামনে তাকিয়ে, আপিল আদালতের সিদ্ধান্তের ফলে পরোক্ষ খরচ পরিশোধের বর্তমান কাঠামো বজায় থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আরও বেশি আর্থিক নিশ্চয়তা প্রদান করবে। তবে, এই মামলাটি ফেডারেল গবেষণা তহবিল সম্পর্কিত নির্বাহী ও আইন বিভাগের মধ্যে চলমান উত্তেজনাকে তুলে ধরে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সতর্ক থাকতে হবে এবং নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে আলোচনায় সক্রিয়ভাবে জড়িত থাকতে হবে, যাতে ভবিষ্যতের তহবিল নীতিমালা একটি শক্তিশালী এবং টেকসই গবেষণা ইকোসিস্টেমকে সমর্থন করে। এই মামলার দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব वैज्ञानिक গবেষণার জন্য ফেডারেল তহবিল প্রক্রিয়া পরিবর্তনের ভবিষ্যতের প্রচেষ্টাকেও প্রভাবিত করতে পারে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment