প্রস্তাবিত পরিবর্তনের লক্ষ্য হল শিক্ষানবিশ চালকরা ব্যবহারিক পরীক্ষা দেওয়ার আগে যেন স্টিয়ারিং হুইলের পেছনে আরও বেশি অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারে তা নিশ্চিত করে পথ নিরাপত্তা উন্নত করা। পরিবহন দফতর মনে করে যে এই অপেক্ষার সময় শিক্ষানবিশদের বিভিন্ন আবহাওয়া এবং ট্র্যাফিকের পরিস্থিতিতে গাড়ি চালানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা বিকাশে সাহায্য করবে। সরকার এই পদক্ষেপের ওপর একটি পরামর্শসভা শুরু করবে।
পথ নিরাপত্তা কৌশলটিতে ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসে মদ্যপান করে গাড়ি চালানোর সীমা কমানোর প্রস্তাবও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা স্কটল্যান্ডে ইতিমধ্যেই চালু থাকা কঠোর সীমার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হবে। এই পরিবর্তনগুলি সড়ক দুর্ঘটনা এবং গুরুতর আঘাত কমানোর বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ। সরকারের লক্ষ্য আগামী দশকে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা এবং গুরুতর আঘাত ৬৫ শতাংশ কমানো, যেখানে ১৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের সাথে জড়িত দুর্ঘটনা ৭০টি কমানোর লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।
সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অল্পবয়সী চালকরা গুরুতর সড়ক দুর্ঘটনায় তুলনামূলকভাবে বেশি জড়িত। ২০২৪ সালে, গাড়ি দুর্ঘটনায় মৃত্যুর অথবা গুরুতর আঘাতের শিকার হওয়াদের মধ্যে পঞ্চমাংশই ছিলেন অল্পবয়সী চালক। সরকার আশা করছে যে নতুন পদক্ষেপগুলি নতুন চালকদের মধ্যে নিরাপদ ড্রাইভিংয়ের অভ্যাস তৈরি করার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করবে।
পরিবহন দফতর প্রস্তাবিত পরিবর্তনগুলি কার্যকর করার আগে অংশীজন এবং জনসাধারণের সাথে পরামর্শ করবে। পরামর্শের সময়কালে নীতি সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া এবং প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের সুযোগ থাকবে। সরকার এখনও নতুন নিয়ম কার্যকর করার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা ঘোষণা করেনি।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment