গবেষণা সংস্থা কক্স অটোমোটিভের মতে, যে পরিবারগুলোর বাৎসরিক আয় $150,000 বা তার বেশি, তারা এখন নতুন গাড়ি বিক্রির ৪৩ শতাংশের জন্য দায়ী, যা কোভিড-১৯ মহামারীর আগে ২০১৯ সালে ছিল এক-তৃতীয়াংশ। বিপরীতে, $75,000 এর কম আয়ের পরিবারগুলো এখন প্রায় এক চতুর্থাংশ গাড়ি কেনে, যা ২০১৯ সালে ছিল এক তৃতীয়াংশের বেশি। জোনাথন স্মোক সি বলেন, "আমরা বাজারের একটি দ্বিধা বিভাজন দেখতে পাচ্ছি," যা ক্রয় ক্ষমতার ক্রমবর্ধমান বৈষম্যকে তুলে ধরে।
স্বয়ংক্রিয় শিল্প তার ওপর আরোপিত শুল্কসহ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে, যা গাড়ি এবং যন্ত্রাংশের দাম বাড়িয়েছে, এবং যাদের ক্রেডিট স্কোর ভালো নয়, তাদের মধ্যে গাড়ির ঋণের ডিফল্ট হার বেড়েছে। এই কারণগুলো তুলনামূলকভাবে কম আয়ের ভোক্তাদের উপর বেশি প্রভাব ফেলেছে, যা নতুন গাড়ির মালিকানা তাদের জন্য কঠিন করে তুলেছে। ধনী ক্রেতাদের দিকে এই পরিবর্তন অর্থনৈতিক বৈষম্যের একটি বৃহত্তর প্রবণতাকে নির্দেশ করে, যা ভোক্তাদের আচরণকে প্রভাবিত করছে।
এই প্রবণতা অটো মার্কেটের দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। যদিও ধনী ভোক্তারা বর্তমানে বিক্রি বাড়াচ্ছে, তবে এই জনগোষ্ঠীর উপর বেশি নির্ভরতা অর্থনৈতিক মন্দা বা ভোক্তাদের পছন্দের পরিবর্তনের ক্ষেত্রে দুর্বলতা তৈরি করতে পারে। উপরন্তু, কম আয়ের ক্রেতাদের কম অংশগ্রহণ স্বয়ংক্রিয় শিল্প এবং সংশ্লিষ্ট খাতগুলোর সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য প্রভাব ফেলতে পারে।
ভবিষ্যতে, অটোমেকারদের বিস্তৃত ভোক্তাদের জন্য কৌশল বিবেচনা করতে হতে পারে, সম্ভবত আরও সাশ্রয়ী মূল্যের মডেল বা উদ্ভাবনী অর্থায়ন বিকল্পের মাধ্যমে। শিল্প সম্ভবত বাজারের গতিশীলতার সাথে খাপ খাইয়ে নিতে অর্থনৈতিক সূচক এবং ভোক্তাদের আচরণ পর্যবেক্ষণ করতে থাকবে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment