চীনে বিরল মৃত্তিকা রফতানিতে সম্ভাব্য বিধি-নিষেধ আরোপের খবরে টোকিওতে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই পদক্ষেপ চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার একটি বড় ধরনের বৃদ্ধিকে ইঙ্গিত করে। চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার সামরিক প্রয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে এমন দ্বৈত-ব্যবহারযোগ্য পণ্যের উপর নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে। সরকার-সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমগুলো বিরল মৃত্তিকা অন্তর্ভুক্ত হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে। ঘোষণায় জাতীয় নিরাপত্তা উদ্বেগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে নির্দিষ্ট পণ্যগুলো এখনও পর্যন্ত অস্পষ্ট।
চায়না ডেইলি জানিয়েছে, কর্তৃপক্ষ মাঝারি ও ভারী বিরল মৃত্তিকার জন্য কঠোর রফতানি লাইসেন্স পর্যালোচনার কথা বিবেচনা করছে। এই ধাতুগুলো বৈদ্যুতিক যান এবং ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার জন্য অত্যাবশ্যকীয়। গ্লোবাল টাইমসের একজন প্রাক্তন প্রধান বলেছেন, নিষেধাজ্ঞা অসংখ্য শিল্পখাতকে প্রভাবিত করবে। তিনি জানান, সবকিছুই সম্ভব।
জাপান বিরল মৃত্তিকা উপাদানের জন্য চীনের উপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। সম্ভাব্য এই বাধা প্রধান শিল্পগুলোকে পঙ্গু করে দিতে পারে। জাপানি কর্মকর্তারা সম্ভাব্য প্রভাব মূল্যায়ন করছেন এবং পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বিবেচনা করছেন।
চীন বিশ্বব্যাপী বিরল মৃত্তিকা সরবরাহের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ নিয়ন্ত্রণ করে। অতীতে বিরোধের সময় চীন বিরল মৃত্তিকা রফতানিকে প্রভাব বিস্তারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে। এই পরিস্থিতি চীনা সম্পদের উপর নির্ভরশীল দেশগুলোর দুর্বলতাকে তুলে ধরে।
পরিস্থিতি এখনও পরিবর্তনশীল। জাপান চীনের কাছে বিষয়টি স্পষ্ট করার চেষ্টা করবে বলে আশা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। উভয় দেশের পক্ষ থেকে আরও ঘোষণার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment