ইরান বিক্ষোভে উত্তাল! অর্থনৈতিক সংকট এবং সরকারের প্রতি ক্ষোভের কারণে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে দেশটিকে গ্রাস করেছে। তেহরানসহ প্রধান শহরগুলোর রাস্তায় জনস্রোত নেমে এসেছে।
সরকারের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ তীব্র হওয়ায় বৃহস্পতিবার দেশব্যাপী ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে সরকারি ভবনগুলোতে আগুন লাগানোর ভিডিও প্রকাশ হয়েছে। মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো বলছে, ডিসেম্বরের শেষ থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ২৮ জন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের ওপর মারাত্মক শক্তি প্রয়োগ করা হলে মার্কিন সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ইরানি কর্মকর্তারা মার্কিন হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন, এমনকি আমেরিকান ঘাঁটিতে সম্ভাব্য হামলার ইঙ্গিতও দিয়েছেন। আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি টেলিভিশনে বিক্ষোভকারীদের কঠোর সমালোচনা করেছেন।
২০২২ সালের পর এটি ইরানের বৃহত্তম বিক্ষোভ। পুলিশ হেফাজতে মাহসা আমিনির মৃত্যু তখন সরকারবিরোধী তীব্র অসন্তোষের জন্ম দিয়েছিল।
পরিস্থিতি এখনও অস্থির। সরকারের আরও পদক্ষেপ এবং আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া দ্রুত প্রত্যাশিত।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment