ট্রাম্প এটিকে "একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং বুদ্ধিমানের কাজ" হিসেবে অভিহিত করেছেন, আরও যোগ করে বলেন, "যুক্তরাষ্ট্র এবং ভেনেজুয়েলা একসঙ্গে ভালোভাবে কাজ করছে, বিশেষ করে তাদের তেল ও গ্যাস অবকাঠামোকে আরও বড়, উন্নত এবং আধুনিক রূপে পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে।" তিনি আরও বলেন যে এই সহযোগিতার কারণেই পূর্বে প্রত্যাশিত দ্বিতীয় দফার হামলা বাতিল করা হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট লাতিন আমেরিকার মাদক কার্টেলগুলোর ওপর স্থল হামলার হুমকিও দিয়েছেন এবং অদূর ভবিষ্যতে ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদোর সঙ্গে সাক্ষাতের অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন।
এই বিবৃতির প্রেক্ষাপট হলো ভেনেজুয়েলার চলমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা। দেশটির বিশাল তেল মজুদ রয়েছে, কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উৎপাদন হ্রাস এবং অর্থনৈতিক কষ্টের সঙ্গে লড়াই করতে হচ্ছে। দেশটির সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র এর আগে ভেনেজুয়েলার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে, বিশেষ করে দেশটির তেল শিল্পকে লক্ষ্য করে। রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তিকে একটি শুভেচ্ছামূলক অঙ্গভঙ্গি হিসেবে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে, যার লক্ষ্য উত্তেজনা প্রশমন এবং সম্ভাব্য আলোচনার পথ খুলে দেওয়া।
ট্রাম্প কর্তৃক উল্লিখিত "হামলা"র ধারণাটি কিছুটা অস্পষ্ট। তিনি সামরিক অভিযান, আরও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, নাকি অন্য কোনো ধরনের চাপের কথা বলছেন, তা স্পষ্ট নয়। তার এই মন্তব্য লাতিন আমেরিকার জটিল ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এসেছে, যেখানে ঐতিহাসিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
পরিস্থিতি এখনও পরিবর্তনশীল, এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলা তাদের সম্পর্কের পথে অগ্রসর হওয়ার সাথে সাথে আরও উন্নয়নের প্রত্যাশা করা হচ্ছে। বিরোধী নেত্রী মাচাদোর সাথে ট্রাম্পের পরিকল্পিত বৈঠক ভেনেজুয়েলার প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কৌশল সম্পর্কে আরও অন্তর্দৃষ্টি দিতে পারে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment