ট্রাম্প কথিত পরিকল্পিত হামলার বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি, তবে তিনি উল্লেখ করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলে একটি বৃহৎ নৌ উপস্থিতি বজায় রাখবে। তিনি ভেনেজুয়েলার পদক্ষেপকে "খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং বুদ্ধিমানের কাজ" হিসেবে অভিহিত করেছেন, ভেনেজুয়েলার কর্তৃপক্ষের শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টার উপর জোর দিয়েছেন।
এই দাবিটি এমন এক সময়ে এসেছে যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা চলছে, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ভেনেজুয়েলার অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশ দুটির মধ্যে সম্পর্ক খারাপ হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এর আগে ভেনেজুয়েলার তেল শিল্প এবং সরকারি কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে, যাতে দেশটির সরকারকে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে চাপ দেওয়া যায়।
ট্রাম্প আগামী সপ্তাহে ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদোর সঙ্গে সাক্ষাতের পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেছেন, যা থেকে বোঝা যায় যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার বর্তমান প্রশাসনের বিরোধী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। এই সাক্ষাৎ থেকে বোঝা যায় যে সামরিক পদক্ষেপ বাতিল করার কথা বলা হলেও যুক্তরাষ্ট্র এখনও ভেনেজুয়েলার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সক্রিয়ভাবে জড়িত।
যুক্তরাষ্ট্র-ভেনেজুয়েলার বর্তমান সম্পর্ক এখনও জটিল, যেখানে সহযোগিতা ও সংঘাতের সম্ভাবনা রয়েছে। পরবর্তী ঘটনা সম্ভবত মাচাদোর সঙ্গে পরিকল্পিত বৈঠকের ফলাফল এবং রাজনৈতিক সংস্কার ও অর্থনৈতিক নীতি সম্পর্কে ভেনেজুয়েলার সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের উপর নির্ভর করবে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment