FTSE 100 সূচক একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জন করেছে, ১৯৮৪ সালে সূচনার পর এই প্রথম ১০,০০০ পয়েন্ট অতিক্রম করেছে। নতুন বছর গতি পাওয়ায় এই উল্লম্ফন ঘটেছে, যা বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করেছে এবং নগদ সঞ্চয় থেকে বিনিয়োগের দিকে সরে আসার জন্য আগ্রহী সরকারি কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
২০২৫ সালে, লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত ১০০টি বৃহত্তম কোম্পানির কর্মক্ষমতা অনুসরণকারী এই সূচক ২০% এর বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। এই উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগে লাভজনক রিটার্নের সম্ভাবনাকে তুলে ধরে, যা FTSE 100-এর সামগ্রিক গতিপথ থেকে স্পষ্ট।
FTSE 100-এর রেকর্ড উচ্চতা নতুন বিনিয়োগকারীদের বাজারে প্রবেশের সেরা সময় নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। সূচকের কর্মক্ষমতা বিনিয়োগের জন্য অনুকূল পরিবেশের ইঙ্গিত দিলেও, কিছু স্টকের সম্ভাব্য অতিমূল্যায়ন নিয়ে উদ্বেগ রয়ে গেছে, বিশেষ করে যখন অনেক ব্যক্তি দৈনন্দিন খরচ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন।
ব্যবহারকারী-বান্ধব বিনিয়োগ অ্যাপস এবং প্ল্যাটফর্মের উত্থান আর্থিক বাজারে প্রবেশাধিকারকে সহজ করেছে, যা ব্যক্তিদের বিভিন্ন সম্পদে বিনিয়োগ করতে সক্ষম করে। তবে, এর সাথে জড়িত অন্তর্নিহিত ঝুঁকিগুলি স্বীকার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিনিয়োগের মূল্য ওঠানামা করতে পারে এবং প্রাথমিক বিনিয়োগ সময়ের সাথে সাথে তার আসল মূল্য ধরে রাখবে এমন কোনও নিশ্চয়তা নেই। এই ঝুঁকিগুলি সত্ত্বেও, শেয়ারহোল্ডাররা লভ্যাংশ থেকেও উপকৃত হতে পারেন, যা রিটার্নের সম্ভাবনাকে আরও বাড়িয়ে তোলে।
সামনের দিকে তাকিয়ে, FTSE 100-এর কর্মক্ষমতা সম্ভবত বিনিয়োগকারী এবং অর্থনৈতিক পর্যবেক্ষক উভয়ের জন্যই একটি কেন্দ্রবিন্দু হয়ে থাকবে। বাজারের পরিস্থিতি পরিবর্তন সাপেক্ষ হলেও, সূচকের সাম্প্রতিক সাফল্য কৌশলগত, দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ পদ্ধতির সাথে সম্পর্কিত সম্ভাব্য পুরস্কারের কথা মনে করিয়ে দেয়।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment