ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশন (FCC)-এর টেলিযোগাযোগ সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে জরিমানা জারির ক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা একটি মামলার শুনানির জন্য সুপ্রিম কোর্ট রাজি হয়েছে। এই মামলাটি AT&T, Verizon এবং T-Mobile-এর চ্যালেঞ্জগুলোকে একত্রিত করেছে, যাদের প্রত্যেককেই ব্যবহারকারীর সম্মতি ছাড়াই গ্রাহকের লোকেশন ডেটা বিক্রির জন্য FCC জরিমানা করেছিল।
২০১৮ সালে প্রকাশিত তথ্যে জানা যায় যে, ক্যারিয়ারগুলো যথাযথ সম্মতি না নিয়েই গ্রাহকদের লোকেশন তথ্যে অ্যাক্সেস বিক্রি করছিল। এরপর এই বিরোধের সূত্রপাত হয়। ২০২৪ সালে, FCC তিনটি কোম্পানিকে মোট ১৯ কোটি ৬০ লক্ষ ডলার জরিমানা করে। AT&T ইউ.এস. কোর্ট অফ আপিলস ফর দ্য ফিফথ সার্কিটে তাদের জরিমানাকে সফলভাবে চ্যালেঞ্জ করে, যেখানে Verizon এবং T-Mobile যথাক্রমে সেকেন্ড সার্কিট এবং ডিস্ট্রিক্ট অফ কলম্বিয়া সার্কিটে ব্যর্থ হয়।
Verizon তাদের পরাজয় উল্টে দেওয়ার জন্য সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দাখিল করে। FCC এবং বিচার বিভাগ ফিফথ সার্কিটে AT&T-এর জয়কে বাতিল করার জন্য আদালতে পিটিশন দাখিল করে। সুপ্রিম কোর্ট উভয় পিটিশন মঞ্জুর করেছে এবং শুক্রবার প্রকাশিত আদেশের তালিকায় মামলাগুলোকে একত্রিত করেছে। মৌখিক যুক্তিতর্ক অনুষ্ঠিত হবে।
আইনি চ্যালেঞ্জের মূল বিষয় হলো FCC-এর প্রয়োগ ক্ষমতা, বিশেষ করে জরিমানা আরোপ করার ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা। FCC-এর বিপক্ষে রায় গেলে টেলিযোগাযোগ শিল্পের ওপর এর নিয়ন্ত্রক তদারকি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস হতে পারে। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ভোক্তা গোপনীয়তা রক্ষা এবং নেট নিরপেক্ষতা বিধি প্রয়োগ করার ক্ষেত্রে সংস্থার ক্ষমতাকে প্রভাবিত করতে পারে।
এই মামলার ফলাফল উদীয়মান প্রযুক্তি এবং ডেটা গোপনীয়তা নিয়ন্ত্রণে FCC-এর ভূমিকার জন্য সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে পারে। এই মামলাটি ডিজিটাল যুগে সরকারি নিয়ন্ত্রণ এবং শিল্প স্ব-নিয়ন্ত্রণের মধ্যে উপযুক্ত ভারসাম্য নিয়ে চলমান বিতর্ককে তুলে ধরে। সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত সম্ভবত টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ এবং ভোক্তা ডেটা সুরক্ষার ভবিষ্যৎকে রূপ দেবে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment