অর্থনৈতিক উদ্বেগ নিয়ে আমেরিকানদের প্রশ্নের জবাবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেন যে অর্থনীতি "অবিশ্বাস্য" ছিল এবং উচ্চ মূল্যবৃদ্ধির জন্য তার পূর্বসূরিকে দায়ী করেন। সম্প্রতি দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের সাংবাদিকদের সাথে এক সাক্ষাৎকারে, ট্রাম্প অর্থনৈতিক উদ্বেগের ইঙ্গিতবাহী জনমত জরিপগুলোকে প্রত্যাখ্যান করেন এবং পরিবর্তে টিকটকে তার জনপ্রিয়তার ওপর জোর দেন।
ট্রাম্প বলেন যে তার প্রথম মেয়াদে তার অর্থনৈতিক নীতি থেকে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হয়েছেন স্বল্প আয়ের শ্রমিকরা। তিনি আরও দাবি করেন যে বর্তমানে নীল-কলার শ্রমিকরা অন্য যেকোনো গোষ্ঠীর চেয়ে বেশি অর্থনৈতিক উন্নতি লাভ করছেন, যা শতাংশের হিসাবে পরিমাপ করা হয়েছে। এই দাবিটি সাংবাদিকদের দ্বারা সাক্ষাৎকার নেওয়া কিছু নীল-কলার শ্রমিকের অভিজ্ঞতার সাথে সাংঘর্ষিক, যারা অর্থনৈতিক কষ্টের কথা জানিয়েছেন।
সাবেক প্রেসিডেন্টের এই কৌশল ভোটারদের জীবনযাত্রার ব্যয় সম্পর্কে আশ্বস্ত করার জন্য রাজনীতিবিদদের দ্বারা প্রায়শই ব্যবহৃত "ফিল-ইউর-পেইন" বার্তার থেকে ভিন্ন। পরিবর্তে, তার মন্তব্যগুলো কোনো না কোনোভাবে বাইডেন প্রশাসনের ইতিবাচক অর্থনৈতিক সূচক উল্লেখ করার এবং ট্রাম্প প্রশাসনের কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত অর্থনৈতিক অবস্থাকে বর্তমান চ্যালেঞ্জগুলোর জন্য দায়ী করার কৌশলের প্রতিধ্বনি করে।
পরিসংখ্যানগত ডেটা এবং স্বতন্ত্র অভিজ্ঞতার মধ্যে এই disconnect অর্থনৈতিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে একটি চ্যালেঞ্জকে তুলে ধরে। ভোটারদের অর্থনীতির ধারণা প্রায়শই সমষ্টিগত অর্থনৈতিক পরিসংখ্যানের চেয়ে তাদের ব্যক্তিগত আর্থিক পরিস্থিতি দ্বারা বেশি প্রভাবিত হয়, যা ২০২৪ সালের নির্বাচনে প্রদর্শিত হয়েছে। এই ঘটনাটি রাজনীতিবিদদের শুধুমাত্র macro-level ডেটার উপর নির্ভর না করে সরাসরি স্বতন্ত্র অর্থনৈতিক উদ্বেগগুলো মোকাবিলার গুরুত্বের ওপর জোর দেয়।
আসন্ন নির্বাচনে বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে অব্যাহত রয়েছে, যেখানে উভয় দলের প্রার্থীরা ভোটারদের অর্থনৈতিক উদ্বেগের সাথে সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করছেন। পরিসংখ্যানগত ডেটা বা স্বতন্ত্র অভিজ্ঞতার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করা বিভিন্ন বার্তা কৌশলগুলির কার্যকারিতা ভোটারদের মনোভাব গঠনে সম্ভবত একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment