মার্কিন সিনেটর মার্ক কেলি সোমবার ওয়াশিংটন, ডিসি-র মার্কিন জেলা আদালতে প্রতিরক্ষা দফতর এবং এর সেক্রেটারি পিট হেগসেথের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছেন, যেখানে অভিযোগ করা হয়েছে যে এটি একটি শাস্তিমূলক প্রতিশোধের অভিযান যা তার বাক স্বাধীনতার অধিকার লঙ্ঘন করেছে। মামলাটিতে নৌ দফতর এবং এর সেক্রেটারি জন ফেলানকেও বিবাদী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
অ্যারিজোনার ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর এবং একজন অভিজ্ঞ যোদ্ধা কেলি একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে বলেছেন, "আমি প্রতিরক্ষা সচিবের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছি কারণ আমাদের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য যে আমেরিকানরা লড়াই করেছে তাদের অধিকারের পক্ষে দাঁড়ানোর চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খুব কম জিনিসই আছে।" মামলাটিতে বলা হয়েছে যে কেলির বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপের কারণে ভবিষ্যতে অন্যান্য প্রবীণরাও চুপ হয়ে যেতে পারেন।
অভিযুক্ত শাস্তিমূলক প্রতিশোধ অভিযানের নির্দিষ্ট বিবরণ তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তবে, কেলির কাজকর্মের ওপর ক্রমবর্ধমান নজরদারির মধ্যে এই অভিযোগটি এসেছে, যার মধ্যে অবৈধ আদেশের অভিযোগে পেন্টাগনের একটি তদন্তও রয়েছে। মামলাটি সরকারি নজরদারি এবং বাক স্বাধীনতার সাংবিধানিক অধিকারের মধ্যে ভারসাম্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে, বিশেষ করে নির্বাচিত কর্মকর্তা এবং প্রবীণদের জন্য।
প্রতিরক্ষা দফতর এখনও মামলার আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে এই মামলাটি প্রতিরক্ষা দফতরের পদক্ষেপ এবং কেলির মতামত প্রকাশের ক্ষমতার বাস্তব সীমাবদ্ধতার মধ্যে একটি সরাসরি কার্যকারণ সম্পর্ক প্রদর্শনের উপর নির্ভর করতে পারে। মামলাটি রাজনৈতিক বক্তব্যের উপর সরকারি তদন্তের সম্ভাব্য শীতল প্রভাবকেও সামনে আনে।
মামলাটি এখন আবিষ্কারের পর্যায়ে প্রবেশ করছে, যেখানে উভয় পক্ষই প্রমাণ সংগ্রহ করবে এবং সম্ভাব্য বিচারের জন্য প্রস্তুতি নেবে। আদালত সম্ভবত পদ্ধতিগত বিষয়গুলি সমাধানের জন্য এবং মামলার সময়সীমা নির্ধারণের জন্য প্রাথমিক শুনানির সময়সূচী নির্ধারণ করবে। এই মামলার ফলাফল সামরিক সদস্য এবং নির্বাচিত কর্মকর্তাদের দেওয়া বাক স্বাধীনতার সুরক্ষার সুযোগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment