ফ্রান্সের কট্টর-ডানপন্থী রাজনীতিবিদ মারিন ল্য পেন একটি গুরুত্বপূর্ণ আপিল বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন। প্যারিসে মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া এই বিচার আগের একটি রায়ের বিরুদ্ধে করা হয়েছে, যেখানে তাকে পাঁচ বছরের জন্য সরকারি পদে থাকার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। প্যারিসের আপিল আদালতে এই আপিলের শুনানি হচ্ছে, যা নির্ধারণ করতে পারে ল্য পেন ২০২৭ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার যোগ্য কিনা।
ল্য পেন, ৫৭, গত বছর ইউরোপীয় ইউনিয়নের তহবিল আত্মসাতের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন। অভিযোগ ছিল যে ল্য পেন, তার ন্যাশনাল র্যালি (আরএন) পার্টির ২০ জনেরও বেশি সিনিয়র কর্মকর্তার সাথে মিলে ইইউ তহবিল misuse করেছেন। তারা এমন সহকারীদের নিয়োগ করেছিলেন যারা ইউরোপীয় পার্লামেন্ট থেকে বেতন পেতেন, কিন্তু আরএন পার্টির কাজকর্ম করতেন। বিচারক বেনেডিক্ট ডি পের্থু গত বছরের মামলাটির সভাপতিত্ব করেছিলেন।
ল্য পেন জোর দিয়ে বলেছেন যে তিনি "সামান্যতম অনিয়ম" করেননি। ন্যাশনাল র্যালি পার্টির সভাপতি জর্ডান বার্ডেলা আপিলের আগে বলেছিলেন যে ল্য পেনকে নির্বাচন থেকে নিষিদ্ধ করা "গণতন্ত্রের জন্য গভীরভাবে উদ্বেগজনক" হবে। বার্ডেলা আরও স্পষ্ট করেছেন যে তিনি আগামী বছর রাষ্ট্রপতি পদের প্রার্থী হবেন না, তবে পরিবর্তে প্রধানমন্ত্রীর পদ চাইবেন।
বিচারটি ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলার কথা রয়েছে, তবে গ্রীষ্মের আগে কোনও রায় প্রত্যাশিত নয়। এই সময়সীমা আগামী বছরের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের অনেক আগে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ করে দেয়, যা সম্ভাব্য রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের জন্য যথেষ্ট সময় দেবে। মূল প্রশ্ন হল আদালত মূল নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখবে কিনা, যা ল্য পেনকে ভবিষ্যতের নির্বাচন থেকে কার্যত দূরে সরিয়ে দেবে, নাকি তা বাতিল করে তাকে তার রাজনৈতিক জীবন চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেবে। ল্য পেন তিনবার ফরাসি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment