ট্রাম্প বলেন যে, কত টাকা পাওনা তা হিসাব করতে এবং কখন, কাকে ও কোথায় পরিশোধ করতে হবে তা নির্ধারণ করতে "বহু বছর লেগে যাবে"। গত এপ্রিলে প্রাথমিকভাবে ঘোষিত এই শুল্কগুলোর বিরুদ্ধে ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি রাজ্য চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে। তাদের যুক্তি হলো, প্রেসিডেন্ট দেশে প্রবেশ করা পণ্যের উপর শুল্ক আরোপ করে তার ক্ষমতা ছাড়িয়ে গেছেন।
আইনি চ্যালেঞ্জের মূল বিষয় হলো ট্রাম্প শুল্ক আরোপ করার ক্ষেত্রে তার ক্ষমতা অতিক্রম করেছেন। চ্যালেঞ্জকারীরা মনে করেন যে, শুল্ক, যা মূলত আমদানিকৃত পণ্যের উপর কর, তার জন্য কংগ্রেসের অনুমোদনের প্রয়োজন, যা নেওয়া হয়নি। তবে প্রশাসন বলছে যে, জাতীয় নিরাপত্তা ও বাণিজ্য বিষয়ক বিদ্যমান আইন অনুযায়ী প্রেসিডেন্টকে যে ব্যাপক ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, তার অধীনেই এই শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।
ট্রাম্প বারবার এই আইনি লড়াই নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন। ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লিখেছেন, সুপ্রিম কোর্ট যদি তার শুল্ক বহাল না রাখে, তাহলে "আমরা শেষ"। সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের ফলাফল মার্কিন বাণিজ্য নীতি এবং প্রেসিডেন্টের একতরফাভাবে শুল্ক আরোপ করার ক্ষমতার উপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
সুপ্রিম কোর্টের রুলিং বাণিজ্য বিষয়ে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার সীমা স্পষ্ট করবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রশাসনের বিপক্ষে রায় গেলে বিদ্যমান শুল্ক প্রত্যাহার হতে পারে এবং সরকারকে সম্ভবত যেসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এই শুল্ক পরিশোধ করেছে, তাদের রিফান্ড দিতে হতে পারে। অন্যদিকে, প্রশাসনের পক্ষে রায় গেলে কংগ্রেসের সুস্পষ্ট অনুমোদন ছাড়াই শুল্ক আরোপ করার প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা নিশ্চিত হবে, যা ভবিষ্যতে আরও বাণিজ্য পদক্ষেপের পথ প্রশস্ত করতে পারে। বুধবারের মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত প্রকাশিত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment