আদিচি তার শোক এবং অবহেলার অভিযোগ একটি হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার মাধ্যমে পরিবার ও বন্ধুদের জানান, যা পরবর্তীতে সামাজিক মাধ্যমে ফাঁস হয়ে যায়। তিনি লিখেছিলেন, "এটা যেন আপনার জীবনের সবচেয়ে খারাপ দুঃস্বপ্ন।" আদিচির দল ফাঁস হওয়া বার্তার সত্যতা নিশ্চিত করেছে।
নকানু নামদি আদিচি এবং এসেগের ২০২৪ সালে সারোগেসির মাধ্যমে জন্ম নেওয়া যমজ ছেলেদের মধ্যে একজন, তাদের প্রথম সন্তান, একটি মেয়ের জন্মের আট বছর পর তার জন্ম হয়। ইউরোকিয়ার হাসপাতালকে দেওয়া আইনি নোটিশটি সন্তানের মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানের জন্য এবং অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে সম্ভাব্য আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার পরিবারের অভিপ্রায় প্রকাশ করে।
অভিযোগ করা অবহেলার নির্দিষ্ট বিবরণ এখনও প্রকাশ্যে জানানো হয়নি, তবে চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগগুলোতে প্রায়শই চিকিৎসার স্বীকৃত মান থেকে বিচ্যুতি জড়িত থাকে, যার ফলে সরাসরি রোগীর ক্ষতি হয়। এই ধরনের বিচ্যুতির মধ্যে ভুল রোগ নির্ণয়, চিকিৎসায় বিলম্ব, ওষুধের ভুল বা অপর্যাপ্ত পর্যবেক্ষণ অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা কথিত অবহেলার ক্ষেত্রে পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের ওপর জোর দেন। "মেডিকেল রেকর্ড, সাক্ষীর বক্তব্য এবং বিশেষজ্ঞের মতামতের একটি ব্যাপক পর্যালোচনা করা জরুরি এটা নির্ধারণ করার জন্য যে যত্নের কর্তব্যে কোনো ত্রুটি ছিল কিনা এবং সেই ত্রুটি সরাসরি প্রতিকূল ফলাফলের কারণ হয়েছে কিনা," বলেছেন ইউনিভার্সিটি অফ লাগোসের মেডিকেল আইনের বিশেষজ্ঞ ডঃ ওলুফেমি তাইয়ো, যিনি সরাসরি এই ঘটনার সাথে জড়িত নন।
ইউরোকিয়ার হাসপাতাল এখনও অভিযোগের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি। আইনি নোটিশের প্রতি হাসপাতালের প্রতিক্রিয়া এবং পরবর্তী তদন্ত সম্ভবত এই বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করবে। এই ঘটনা স্বাস্থ্যসেবায় জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতার গুরুত্বের পাশাপাশি চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ পরিবারের ওপর যে মানসিক আঘাত হানে, তার ওপর আলোকপাত করে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment