ইউক্রেনের খারকিভে একটি পোস্টাল কোম্পানির টার্মিনালে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় মঙ্গলবার চারজন নিহত এবং ছয়জন আহত হয়েছেন, খারকিভের গভর্নর ওলেহ সিনিয়হুব টেলিগ্রামের মাধ্যমে জানিয়েছেন। এই হামলাটি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ১,৪২০তম দিন।
খারকিভের মেয়র ইhor তেরেখভ জানিয়েছেন, রাশিয়ার একটি দূরপাল্লার ড্রোন শিশুদের একটি চিকিৎসা কেন্দ্রে আঘাত হানে, যার ফলে আগুন লাগে। এই হামলাগুলো ইউক্রেনের অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে চালানো বৃহত্তর রুশ কৌশলের অংশ।
ইউক্রেনের উপ- energy মন্ত্রী মাইকোলা কোলিস্নিক বলেছেন, মঙ্গলবার রাশিয়ার ক্রমাগত শেলিংয়ের কারণে কিয়েভে বিদ্যুতের আরও বেশি ঘাটতি দেখা দিয়েছে, প্রায় ৫০০টি বহুতল ভবন হিটিং ছাড়াই রয়েছে। জ্বালানি অবকাঠামোর উপর চলমান হামলাগুলো সংঘাতের সময় বেসামরিক জনগণের দুর্বলতাকে তুলে ধরে।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, রাশিয়ার TASS সংবাদ সংস্থা কর্তৃক প্রকাশিত, দাবি করেছে যে রুশ বাহিনী ইউক্রেনীয় সশস্ত্র বাহিনী কর্তৃক ব্যবহৃত জ্বালানি স্থাপনাগুলোর উপর একটি বিশাল হামলা চালিয়েছে। মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে যে রুশ বাহিনী ২০৭টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ভূপাতিত করেছে, যদিও এই দাবিটি স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।
এই ঘটনাগুলো আধুনিক যুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন প্রযুক্তির উপর অব্যাহত নির্ভরতাকে তুলে ধরে। এই সিস্টেমগুলোতে এআই-এর ব্যবহার স্বায়ত্তশাসন এবং নির্ভুলতা বৃদ্ধি করে, যা জবাবদিহিতা এবং অনিচ্ছাকৃত পরিণতির সম্ভাবনা সম্পর্কে নৈতিক প্রশ্ন উত্থাপন করে। উদাহরণস্বরূপ, এআই-চালিত ড্রোনগুলোকে ন্যূনতম মানবিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে লক্ষ্যবস্তু সনাক্ত এবং আক্রমণ করার জন্য প্রোগ্রাম করা যেতে পারে। এই ক্ষমতা ত্রুটির সম্ভাবনা এবং মারাত্মক সিদ্ধান্ত গ্রহণে মানুষের নিয়ন্ত্রণের হ্রাস নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করে।
ইউক্রেনের সংঘাত সামরিক প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন এআই অ্যাপ্লিকেশনের জন্য একটি পরীক্ষামূলক ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে, যা পুনরুদ্ধার এবং নজরদারি থেকে শুরু করে স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র সিস্টেম পর্যন্ত বিস্তৃত। এই প্রযুক্তিগুলোর উন্নয়ন এবং মোতায়েন ভবিষ্যতের যুদ্ধ এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। সামরিক অভিযানে এআই যত বেশি সংহত হবে, এর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সুস্পষ্ট নৈতিক নির্দেশিকা এবং আইনি কাঠামো তৈরি করা ততটাই জরুরি। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবশ্যই যুদ্ধের ক্ষেত্রে এআই দ্বারা সৃষ্ট চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে হবে, যাতে উত্তেজনা বৃদ্ধি প্রতিরোধ করা যায় এবং এটা নিশ্চিত করা যায় যে শক্তি প্রয়োগের ক্ষেত্রে মানুষের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রীয় থাকে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment