পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্ভাব্য দ্বিতীয় মেয়াদে সামাজিক মাধ্যম নীতি নির্ধারণ এবং তথ্য প্রচারে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (DHS) বিভাগের অভিবাসন enforcement বিষয়ক ভিডিওসহ বিভিন্ন বিষয়বস্তু X (পূর্বে টুইটার নামে পরিচিত) এর মতো প্ল্যাটফর্মে ব্যাপকভাবে শেয়ার করা হবে।
সম্ভাব্য প্রশাসনের অনলাইন প্ল্যাটফর্মের উপর নির্ভরতা ষড়যন্ত্র তত্ত্বের বিস্তার এবং ডানপন্থী পডকাস্টার ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সরকারি পদে অন্তর্ভুক্ত করা পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে। এই পদ্ধতি ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের কৌশলগুলোর উপর ভিত্তি করে তৈরি, যেখানে সামাজিক মাধ্যম, বিশেষ করে টুইটার, নীতিগত অবস্থান এবং অগ্রাধিকার ঘোষণা করার জন্য ব্যবহৃত হতো।
মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের জননীতি বিভাগের অধ্যাপক ডন ময়নিহান মনে করেন, সামাজিক মাধ্যমের ভূমিকা এখন শুধু কথোপকথন এবং জনমত নিয়ন্ত্রণ করার চেয়েও বেশি কিছু। তিনি যুক্তি দেন যে প্রশাসন এখন ডানপন্থী সামাজিক মাধ্যম ইকোসিস্টেমের সাথে গভীরভাবে যুক্ত।
তথ্য প্রচার এবং জনমত গঠনের জন্য সামাজিক মাধ্যমের ব্যবহার ভুল তথ্য ছড়ানো এবং ষড়যন্ত্র তত্ত্বের মাধ্যমে নীতি সিদ্ধান্ত প্রভাবিত করার সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এই পদ্ধতির সমর্থকরা মনে করেন যে এটি জনগণের সাথে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ করে দেয় এবং ঐতিহ্যবাহী সংবাদ মাধ্যমকে এড়িয়ে যাওয়া যায়, যেগুলোকে তারা পক্ষপাতদুষ্ট মনে করেন। সমালোচকদের দাবি, এর ফলে মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াতে পারে এবং প্রতিষ্ঠানের উপর আস্থা কমে যেতে পারে।
এই পরিস্থিতি রাজনৈতিক অভিনেতাদের ভোটারদের সাথে যোগাযোগ এবং জনমত গঠনে সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারের একটি বৃহত্তর প্রবণতাকে প্রতিফলিত করে। শাসন এবং জনগণের আস্থার উপর এই প্রবণতার প্রভাব নিয়ে বিতর্ক চলছে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment