ইরানে বিক্ষোভ তীব্র হওয়ার সাথে সাথে দেশটির বিরুদ্ধে নৃশংস দমন-পীড়নের অভিযোগ উঠেছে। প্রায় সম্পূর্ণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতা সত্ত্বেও প্রকাশিত প্রতিবেদন ও ভিডিওগুলোতে সরকারের মারাত্মক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। এক দশকের মধ্যে এটি সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সরকারি বাহিনী নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের ওপর স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র দিয়ে গুলি চালিয়েছে। হাসপাতালগুলোয় বন্দুকের গুলির আঘাত ও মাথার খুলি ভাঙা রোগীদের চিকিৎসা চলছে। পরিস্থিতিকে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। ছবিতে সারি সারি বডি ব্যাগ এবং পরিবারগুলোকে তেহরানের ফরেনসিক ল্যাবরেটরির বাইরে তাদের আত্মীয়দের খুঁজতে দেখা গেছে, যা ২০২৬ সালের ১২ জানুয়ারি, রবিবারের চিত্র। নিউ ইয়র্ক টাইমস ছবিটি যাচাই করেছে।
সরকার এখনও পর্যন্ত অতিরিক্ত শক্তি ব্যবহারের নির্দিষ্ট অভিযোগগুলোর বিষয়ে কোনো বিবৃতি দেয়নি। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো একটি স্বাধীন তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে। যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার কারণে তথ্যের প্রবাহ মারাত্মকভাবে সীমিত হয়ে পড়েছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইরান বিক্ষিপ্তভাবে বিক্ষোভের সম্মুখীন হয়েছে, যা প্রায়শই অর্থনৈতিক অসন্তোষ বা রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে শুরু হয়েছে। বর্তমান বিক্ষোভগুলো একাধিক কারণের সংমিশ্রণে ইন্ধন যোগাচ্ছে বলে জানা গেছে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইরানের ওপর পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য চাপ বাড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে। দেশের ভেতর থেকে তথ্য আসতে থাকলে আরও প্রতিবেদন পাওয়া যেতে পারে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment