অনেক পিএইচডি শিক্ষার্থীই এখন বিকল্প উপার্জনের দিকে ঝুঁকছেন। এই প্রবণতা খতিয়ে দেখতে নেচার একটি সমীক্ষা শুরু করেছে। সমীক্ষার লক্ষ্য হল, কতজন গবেষকের পিএইচডি অধ্যয়নের সময় বিকল্প উপার্জনের পথ ছিল বা আছে, তা নির্ধারণ করা।
তরুণ গবেষকদের আর্থিক চাপের কথা তুলে ধরা কয়েকটি প্রতিবেদনের পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। একটি ইউকেআরআই (UKRI) রিপোর্টে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, অর্ধেকের বেশি গবেষণা সংস্থা মনে করে পিএইচডি-র বৃত্তি যথেষ্ট নয়। সেপ্টেম্বর ২০২৫-এর একটি হ্যারিস পোলের (Harris Poll) ফলাফলে দেখা গেছে যে, ৫৭% জেন জেড (Gen Z) কর্মীর বিকল্প উপার্জনের পথ রয়েছে। ১৯৯৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে জন্ম নেওয়া এই প্রজন্ম জীবনযাত্রার উচ্চ ব্যয়ের সম্মুখীন।
সমীক্ষার ফলাফল পিএইচডি জীবনের অর্থনৈতিক বাস্তবতা তুলে ধরবে। এটি গবেষকদের জন্য ভবিষ্যৎ তহবিল এবং সহায়তার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে আর্থিক উদ্বেগ বাড়ছে। মর্নিং কনসাল্ট (Morning Consult) -এর একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, ২০১৮ সালের পর থেকে আর্থিক বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে। বেকারত্ব এবং এআই (AI) দ্বারা সৃষ্ট ছাঁটাইয়ের মতো বিষয়গুলি প্রধান উদ্বেগের কারণ।
বিকল্প উপার্জনের মধ্যে কুকুর হাঁটা থেকে শুরু করে বিভিন্ন ব্যবসায়িক উদ্যোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। কিছু শিক্ষার্থী প্রয়োজনের তাগিদে অতিরিক্ত আয়ের সন্ধান করেন। অন্যরা সৃজনশীল লক্ষ্য অনুসরণ করেন। নেচার এই সমীক্ষার ডেটা বিশ্লেষণ করে অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করবে। আশা করা হচ্ছে যে, ফলাফলগুলি পিএইচডি তহবিল এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণের বিষয়ে আলোচনাকে আরও তথ্যপূর্ণ করে তুলবে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment