অনেক পিএইচডি শিক্ষার্থীরাই এখন বিকল্প উপার্জনের দিকে ঝুঁকছেন। নেচার এই প্রবণতাটি খতিয়ে দেখার জন্য একটি সমীক্ষা শুরু করেছে। এই সমীক্ষার লক্ষ্য হল ডক্টরাল অধ্যয়নের সময় কতজন গবেষক অতিরিক্ত আয়ের উৎস খোঁজেন, তা নির্ধারণ করা।
তরুণ গবেষকদের উপর আর্থিক চাপের বিষয়টিকে তুলে ধরে এমন প্রতিবেদনের পরেই এই সমীক্ষাটি করা হচ্ছে। সেপ্টেম্বর ২০২৫-এর হ্যারিস পোলের একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, ৫৭% জেন জেড কর্মীর বিকল্প আয়ের উৎস রয়েছে। ইউকেআরআই-এর তথ্য অনুযায়ী, পিএইচডি-র বৃত্তি প্রায়শই জীবনযাত্রার খরচ মেটাতে যথেষ্ট নয়। মর্নিং কনসাল্ট-এর ডেটা দেখাচ্ছে যে, ২০১৮ সালের পর থেকে শিক্ষার্থীদের আর্থিক বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব সর্বনিম্ন স্তরে রয়েছে। শিক্ষার্থীরা বেকারত্ব এবং এআই-চালিত চাকরি হারানোর বিষয়ে চিন্তিত।
এই সমীক্ষার ফলাফল পিএইচডি শিক্ষার্থীদের উপর আর্থিক চাপের পরিমাণ প্রকাশ করবে। এছাড়াও, অতিরিক্ত আয়ের সন্ধানের পেছনের কারণগুলোও তুলে ধরবে। কিছু শিক্ষার্থীর টাকার প্রয়োজন। আবার কেউ কেউ উদ্যোক্তা হওয়ার ইচ্ছাকে অনুসরণ করে।
জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান খরচ একটি প্রধান কারণ। স্থবির বেতন সমস্যাটিকে আরও বাড়িয়ে তোলে। ভবিষ্যতের চাকরির বাজারে এআই-এর সম্ভাব্য প্রভাব অনিশ্চয়তা বাড়ায়। এটি বিশেষভাবে পিএইচডি শিক্ষার্থীদের জন্য প্রাসঙ্গিক, যারা গবেষণা ক্ষেত্রে প্রবেশ করছেন। এআই এখন গবেষকদের দ্বারা পূর্বে করা কাজগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে করছে।
নেচার সমীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করবে। এই ফলাফলগুলি তহবিল সংক্রান্ত নীতিগুলিকে প্রভাবিত করতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয় এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলি বৃত্তির স্তরগুলি পুনরায় মূল্যায়ন করতে পারে। তরুণ গবেষকদের জন্য আর্থিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা চলছে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment