খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ছে, যা আমেরিকান পরিবারগুলোর জন্য ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের দাবিকে চ্যালেঞ্জ করছে। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে গরুর মাংসের দাম ১৬.৪ শতাংশ এবং কফির দাম ১৯.৮ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া লেটুস এবং হিমায়িত মাছের দামও যথাক্রমে ৭.৩ শতাংশ এবং ৮.৬ শতাংশ বেড়েছে।
তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জনসম্মুখে বলেছেন যে খাদ্যপণ্যের দাম কমছে। ডেট্রয়েটে মঙ্গলবার তিনি বলেন, "খাদ্যপণ্যের দাম দ্রুত কমতে শুরু করেছে", যদিও প্রাপ্ত তথ্য অন্য কিছু নির্দেশ করে। এই প্রথম নয় যে প্রেসিডেন্ট এমন দাবি করেছেন।
খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে সার, যন্ত্রপাতি, শ্রমিক এবং জ্বালানির খরচ, সেইসাথে আবহাওয়ার পরিস্থিতি, ভৌগোলিক কারণ এবং ভোক্তাদের চাহিদা। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কিছু নীতি, যেমন শুল্ক এবং কঠোর অভিবাসন প্রয়োগ, সম্ভবত খরচ বৃদ্ধিতে অবদান রেখেছে।
কিছু খাদ্যপণ্যের দাম বাড়লেও, অন্যগুলোর দাম কমেছে। উদাহরণস্বরূপ, গত এক বছরে ডিমের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এই ওঠানামা খাদ্য বাজারের জটিল গতিশীলতাকে তুলে ধরে।
নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধিতে বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত, কারণ তাদের আয়ের একটি বৃহত্তর অংশ প্রয়োজনীয় জিনিসের উপর ব্যয় হয়। বর্তমান প্রবণতা বিদ্যমান অর্থনৈতিক বৈষম্যকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment