পাঁচজন মার্কিন আইনপ্রণেতা জানিয়েছেন যে, মার্কিন সামরিক বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের অবৈধ আদেশ অমান্য করার আহ্বান জানিয়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করার পর বিচার বিভাগ তাদের সাথে যোগাযোগ করেছে। এই আইনপ্রণেতারা হলেন সিনেটর এলিসা স্লটকিন এবং মার্কিন প্রতিনিধি জেসন ক্রো, ম্যাগি গুডল্যান্ডার, ক্রিসি হাউলাহান এবং ক্রিস ডেলুজিও। তারা সকলেই ডেমোক্র্যাট এবং পূর্বে সামরিক বাহিনী, সিআইএ এবং নৌ গোয়েন্দা সংস্থায় কর্মরত ছিলেন।
নভেম্বর মাসে প্রকাশিত ভিডিওটি এমন সময়ে আসে যখন মার্কিন বাহিনী ক্যারিবিয়ান এবং প্রশান্ত মহাসাগরে জাহাজগুলোতে বিমান হামলা চালাচ্ছিল এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন কিছু আদেশ জারি করেছিলেন যা প্রদত্ত উৎস উপাদানে উল্লেখ করা হয়নি। বিচার বিভাগের এই তদন্ত সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে বিদ্রোহে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে মার্কিন আইনের সম্ভাব্য লঙ্ঘন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
জাতীয় সামরিক বাহিনীগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কর্মকাণ্ডের সম্ভাবনা নিয়ে বিশ্বব্যাপী উদ্বেগের মধ্যে এই তদন্তটি শুরু হয়েছে। মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডসহ বেশ কয়েকটি দেশে সামরিক বাহিনী রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে, কখনও কখনও সরাসরি বেসামরিক প্রশাসনে হস্তক্ষেপ করেছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক সমালোচনা এবং সামরিক কর্তৃত্ব ও বেসামরিক নিয়ন্ত্রণের মধ্যে উপযুক্ত সীমা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
আইনপ্রণেতাদের পদক্ষেপ এবং পরবর্তী তদন্ত বাকস্বাধীনতা ও জাতীয় নিরাপত্তার মধ্যে উত্তেজনাকেও তুলে ধরে, যা বিশ্বব্যাপী গণতান্ত্রিক সমাজে একটি পুনরাবৃত্তিমূলক বিষয়। সামরিক শৃঙ্খলা বা জাতীয় প্রতিরক্ষা দুর্বল করতে পারে এমন কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ এবং মত প্রকাশের অধিকারের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে অনেক দেশ সংগ্রাম করে।
আপাতত, বিচার বিভাগের আইনপ্রণেতাদের সাথে যোগাযোগের প্রকৃতি অস্পষ্ট। এই তদন্ত আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বা আরও তদন্তের দিকে পরিচালিত করবে কিনা তা জানা যায়নি। পরিস্থিতি ক্রমশ বিকাশমান, এবং তদন্তের অগ্রগতির সাথে সাথে আরও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment