নোবেল ইনস্টিটিউট এর আগে স্পষ্ট করে জানিয়েছিল যে মাচাদো ট্রাম্পকে পুরস্কারের মালিকানা হস্তান্তর করতে পারবেন না, যে পুরস্কারটি তিনি প্রকাশ্যে চেয়েছিলেন। এই কাজ মূলত প্রতীকী, বিশেষ করে ট্রাম্পের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ডেলসি রদ্রিগেজের সাথে আলোচনার দিকে ঝুঁকে যাওয়া, যা ভেনেজুয়েলার প্রতিরোধের একজন প্রধান ব্যক্তিত্ব হিসাবে মাচাদোর বিশিষ্ট ভূমিকাকে কার্যকরভাবে হ্রাস করে।
মাচাদোর নোবেল শান্তি পুরস্কার ভেনেজুয়েলায় গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের প্রচারে তার দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি দিয়েছে। ভেনেজুয়েলার প্রতি মার্কিন নীতি, বিশেষ করে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত সরকারের বৈধতা এবং দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াগুলির ভবিষ্যৎ নিয়ে চলমান আলোচনার মধ্যে ট্রাম্পের সাথে তার বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ডেলসি রদ্রিগেজের সাথে আলোচনা করার আগ্রহ মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির একটি সম্ভাব্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়, যা মাচাদোর প্রতি অটল সমর্থন থেকে সরে গিয়ে ভেনেজুয়েলার বিদ্যমান ক্ষমতা কাঠামোর সাথে আরও বাস্তবসম্মত উপায়ে মোকাবিলার দিকে যাচ্ছে। এই পরিবর্তন কিছু আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে, যারা আশঙ্কা করছেন যে এটি গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলনকে দুর্বল করতে পারে।
মার্কিন সরকার এখনও বৈঠক বা নোবেল পদক উপস্থাপনা সম্পর্কে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করেনি। মার্কিন-ভেনেজুয়েলার সম্পর্কের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা আরও নীতি ঘোষণা এবং কূটনৈতিক আলোচনার অপেক্ষায় অনিশ্চিত রয়ে গেছে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment