সাম্প্রতিক গবেষণা অনুসারে, ট্রান্সআটলান্টিক ফ্লাইটের সময় শুধুমাত্র দৈনিক বাতাসের ধরন দ্বারাই প্রভাবিত হয় না, বরং দীর্ঘমেয়াদী জলবায়ু প্রবণতাও এর উপর প্রভাব ফেলে। doi: https:doi.org10.1038d41586-026-00129-3 দ্বারা উল্লেখিত গবেষণাটি, উত্তর আটলান্টিক осসিলেশন (NAO)-এর মতো বিষয়গুলির কারণে পূর্বগামী ফ্লাইটের সময়কালের উপর প্রভাবের কথা তুলে ধরে।
NAO, একটি জলবায়ুগত অবস্থা যা আইসল্যান্ডীয় নিম্নচাপ এবং অ্যাজোরেস উচ্চচাপের মধ্যে চাপের পার্থক্যকে প্রভাবিত করে, আটলান্টিক জুড়ে বিরাজমান বাতাসের শক্তি এবং দিক নির্ধারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যখন NAO তার ইতিবাচক পর্যায়ে থাকে, তখন সাধারণত শক্তিশালী পশ্চিমা বাতাস বয়ে যায়, যার ফলে পূর্বগামী ফ্লাইটের সময় কম লাগে এবং সম্ভাব্যভাবে পশ্চিমগামী যাত্রার সময় বেড়ে যায়।
সি. জে. রাইট, পি. ই. নোবেল, টি. পি. ব্যানিয়ার্ড, এস. জে. ফ্রিম্যান এবং পি. ডি. উইলিয়ামস সহ গবেষকরা অ্যাটমোস্ফিয়ারিক কেমিস্ট্রি অ্যান্ড ফিজিক্স জার্নালে তাদের অনুসন্ধানের বিশদ বিবরণ দিয়েছেন। ভলিউম ২৫, পৃষ্ঠা ১৮২৬৭-১৮২৯০ (২০২৫)-এ প্রকাশিত তাদের কাজ থেকে জানা যায় যে, ফ্লাইট সূচি এবং জ্বালানী খরচ অপ্টিমাইজ করার জন্য এয়ারলাইন্সগুলোর জন্য এই জলবায়ু প্রবণতা বোঝা ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
এই গবেষণার তাৎপর্য শুধুমাত্র যাত্রীদের সুবিধার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এয়ারলাইন্সগুলো ক্রমাগত জ্বালানি খরচ কমানোর এবং তাদের পরিবেশগত প্রভাব হ্রাস করার উপায় খুঁজে চলেছে। NAO-এর মতো জলবায়ুগত অবস্থার প্রভাব বিবেচনা করে, এয়ারলাইন্সগুলো ফ্লাইট রুট এবং উচ্চতা সম্পর্কে আরও ভালোভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারে, যা সম্ভাব্যভাবে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে জ্বালানি সাশ্রয় এবং কার্বন নিঃসরণ কমাতে সাহায্য করতে পারে।
এই গবেষণা জলবায়ু বিজ্ঞান এবং দৈনন্দিন জীবনের মধ্যে আন্তঃসংযোগের উপর জোর দেয়। যদিও বেশিরভাগ এয়ারলাইন যাত্রী খেলারত জটিল বায়ুমণ্ডলীয় প্রক্রিয়া সম্পর্কে অবগত নাও হতে পারে, তবে এই বিষয়গুলো সরাসরি তাদের ভ্রমণের অভিজ্ঞতাকে প্রভাবিত করে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আবহাওয়ার ধরনে পরিবর্তন আসায়, এই প্রভাবগুলো বোঝা বিমান শিল্প এবং যাত্রী উভয়ের জন্যই আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment