স্যাটারডে নাইট লাইভ (এসএনএল) ২০১৬ সালের প্রথম পর্বে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নোবেল শান্তি পুরস্কারের প্রতি আকাঙ্ক্ষা এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের যুদ্ধংদেহী পররাষ্ট্রনীতির দৃষ্টিভঙ্গিকে ব্যঙ্গ করেছে। স্কেচটি ভেনেজুয়েলায় সাম্প্রতিক মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপ এবং মিনিয়াপলিসে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) গুলিবর্ষণের ঘটনায় সাউথ ডাকোটার গভর্নর ক্রিস্টি নোয়েমের বিতর্কিত প্রতিক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করেছে।
অনুষ্ঠানটির সমসাময়িক ঘটনাবলীর উপর করা বিদ্রুপমূলক উপস্থাপনা একটি নকল ট্রাম্প সংবাদ সম্মেলন এবং মন্ত্রিসভার বৈঠকের আদলে তৈরি করা হয়েছে। কলিন Jost প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন, যেখানে তাকে আগ্রাসী মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির পক্ষে কথা বলতে দেখা যায়। ভ্যারাইটির মতে, Jost-এর হেগসেথ চরিত্রটি প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে "মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সারা বিশ্বের দেশগুলোকে শায়েস্তা করবে"। জেরেমি কুলহান ভাইস প্রেসিডেন্টের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন।
ছুটির বিরতির পর এই পর্বটি ছিল এসএনএল-এর প্রত্যাবর্তন, যা রাজনৈতিক ঘটনাবলীর প্রাচুর্যকে কাজে লাগিয়েছে। কোল্ড ওপেনটি আইসিই-এর গুলিবর্ষণের ঘটনায় গভর্নর নোয়েমের প্রতিক্রিয়াকেও লক্ষ্য করে, যদিও সেই নির্দিষ্ট প্যারোডিটির বিশদ বিবরণ উৎস উপাদানটিতে বিশদভাবে বলা হয়নি।
এসএনএল, একটি গভীর রাতের কমেডি প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের মাধ্যমে জনগণের মধ্যে আলোচনার জন্ম দেওয়ার ইতিহাস রয়েছে। অনুষ্ঠানটির তাৎক্ষণিক আর্থিক প্রভাব এনবিসি-র বিজ্ঞাপনের রাজস্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও, এর স্কেচগুলি প্রায়শই সামাজিক মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও ঘটনা সম্পর্কে জনগণের ধারণাকে প্রভাবিত করে। জনমতকে ধারণ ও প্রসারিত করার অনুষ্ঠানটির ক্ষমতা পরোক্ষভাবে বাজারের আস্থা এবং বিনিয়োগকারীদের আচরণকে প্রভাবিত করতে পারে, বিশেষ করে ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকির প্রতি সংবেদনশীল খাতগুলোতে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment