ডুসেট ট্রাম্পের উদ্বোধনী ভাষণের দিকে ইঙ্গিত করেন, যেখানে তিনি ১৯ শতকের "ম্যানিফেস্ট ডেসটিনি" মতবাদের প্রয়োগের কথা উল্লেখ করেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের ঐশ্বরিকভাবে নির্ধারিত প্রভাব বিস্তারের অধিকারের বিশ্বাসকে ইঙ্গিত করে। তিনি পানামা খাল এবং গ্রিনল্যান্ড সম্পর্কে ট্রাম্পের ঘোষিত উদ্দেশ্যগুলিকে এই দৃঢ় পদক্ষেপের উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন। ডুসেটের মতে, পানামা খাল সম্পর্কে ট্রাম্প নাকি ঘোষণা করেছিলেন, "আমরা এটা ফেরত নিচ্ছি", এবং গ্রিনল্যান্ড সম্পর্কে "এটা আমাদের পেতেই হবে" এমন একটা মন্ত্র হয়ে গিয়েছিল।
আন্তর্জাতিক সংবাদদাতা বিতর্কিত আমেরিকান হস্তক্ষেপ, দখল এবং গোপন অভিযানের একটি ইতিহাস তুলে ধরেন। তবে, তিনি জোর দিয়ে বলেন যে ট্রাম্পের এই পদ্ধতি বিদ্যমান বিশ্ব কাঠামোর জন্য একটি অনন্য চ্যালেঞ্জ।
ডুসেটের বিশ্লেষণে একটি সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করা হলেও, অন্যান্য পর্যবেক্ষকরা মনে করেন যে ট্রাম্পের নীতিগুলি কয়েক দশকের প্রতিকূল বাণিজ্য চুক্তি এবং আমেরিকান সার্বভৌমত্বের ক্ষয় হিসাবে তারা যা দেখেন, তার একটি প্রয়োজনীয় সংশোধন। সমর্থকরা যুক্তি দেখান যে তার পদক্ষেপগুলির লক্ষ্য হল আমেরিকান স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং আন্তর্জাতিক চুক্তিগুলিকে পুনরায় আলোচনা করে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আরও ভাল করা।
তবে, সমালোচকরা উদ্বেগ প্রকাশ করেন যে ট্রাম্পের একতরফা পদক্ষেপ এবং আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি অবজ্ঞা বিশ্ব স্থিতিশীলতা এবং সহযোগিতাকে দুর্বল করে। তারা যুক্তি দেখান যে তার নীতিগুলি জোটকে দুর্বল করে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অনিশ্চয়তা তৈরি করে।
ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতির সিদ্ধান্তের প্রভাবগুলি বিশ্বজুড়ে নীতিনির্ধারক এবং বিশেষজ্ঞরা ক্রমাগত বিতর্ক ও বিশ্লেষণ করছেন। আগামী বছরগুলোতে সম্ভবত বিশ্ব ব্যবস্থায় এই পরিবর্তনের দীর্ঘমেয়াদী পরিণতি প্রকাশ পাবে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment