মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) থেকে সরে আসার প্রক্রিয়া, যা এক বছর আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শুরু করেছিলেন, এই সপ্তাহে চূড়ান্ত হওয়ার কথা। তার উদ্বোধনী দিনে স্বাক্ষরিত একটি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে এই পদক্ষেপটি চূড়ান্ত করা হয়েছে, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য ট্রাম্পের দ্বিতীয় প্রচেষ্টা।
ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে চীনের উহান থেকে উদ্ভূত কোভিড-১৯ মহামারী মোকাবিলায় WHO-এর ভূমিকা, প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়নে এর অনুভূত ব্যর্থতা এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলো থেকে অযাচিত রাজনৈতিক প্রভাবের প্রতি এর কথিত দুর্বলতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এর আগে ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে WHO থেকে সরিয়ে নেওয়ার একটি প্রচেষ্টা হয়েছিল, যা প্রেসিডেন্ট বাইডেন ক্ষমতা গ্রহণের পর বাতিল করেছিলেন।
কোভিড-১৯ মহামারীর চরম শিখরকালে প্রাথমিক প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তি দিয়েছিল যে WHO সংকট মোকাবেলায় পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেয়নি এবং এটি চীনের দ্বারা অতিরিক্ত প্রভাবিত। এই উদ্বেগের কারণে যুক্তরাষ্ট্রকে সংস্থা থেকে সরিয়ে নেওয়ার প্রথম প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে সমালোচনার জন্ম দিয়েছিল, যারা মহামারীর সময় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ওপর জোর দিয়েছিলেন।
প্রেসিডেন্ট বাইডেন তার প্রথম দিনেই WHO-তে পুনরায় যোগদানের সিদ্ধান্ত বিশ্ব স্বাস্থ্যখাতে বহুপাক্ষিকতায় প্রত্যাবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। তবে, ট্রাম্পের প্রত্যাহারের নতুন প্রচেষ্টা আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য উদ্যোগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জড়িত থাকার ভবিষ্যৎ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সুরক্ষার ওপর সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে প্রশ্ন তুলেছে। এই প্রত্যাহারের প্রভাব আর্থিক অবদানের বাইরেও বিস্তৃত, যা ভবিষ্যতের স্বাস্থ্য সংকট মোকাবিলা এবং আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা সমন্বিত করার ক্ষেত্রে WHO-এর ক্ষমতাকে প্রভাবিত করতে পারে। কোনো বকেয়া অর্থের স্থিতি এখনও অস্পষ্ট।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment