সিরিয়ায় কুর্দি নেতৃত্বাধীন বাহিনী ইসলামিক স্টেট (আইএস) গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত পরিবারগুলোর সদস্যদের একটি শিবির থেকে সরে আসার পর নতুন করে যুদ্ধবিরতি শুরু হয়েছে। সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস (এসডিএফ) আল-হোল ক্যাম্প ত্যাগ করেছে, যেখানে আইএস-এর সঙ্গে জড়িত প্রায় ২০,০০০ লোক রয়েছে বলে অভিযোগ। এসডিএফ উত্তর-পূর্ব সিরিয়ার অন্যান্য শহরগুলোতে পুনরায় মোতায়েন করার কারণ হিসেবে "আন্তর্জাতিক উদাসীনতা"-কে উল্লেখ করেছে। সিরিয়ার সরকার যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করেছে।
সিরিয়ার সরকার বা আইএস-এর বিরুদ্ধে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের সাথে সমন্বয় ছাড়াই এই প্রত্যাহার ঘটেছে। সিরিয়ার প্রেসিডেন্সি পরে হাসাহ প্রদেশ নিয়ে এসডিএফের সাথে একটি "বোঝাপড়া" ঘোষণা করেছে। এসডিএফ-এর হাতে সিরিয়ার রাষ্ট্রের মধ্যে তাদের অঞ্চলগুলিকে একীভূত করার বিষয়ে পরামর্শ করার জন্য চার দিন সময় আছে। সরকারি বাহিনী হাসাহ, কামিশলি বা কুর্দি গ্রামগুলোতে প্রবেশ করবে না বলে জানা গেছে। এসডিএফ তাদের প্রতিশ্রুতি নিশ্চিত করেছে।
যুদ্ধবিরতির তাৎক্ষণিক প্রভাব এখনও দেখার বিষয়। আল-হোল ক্যাম্পের বাসিন্দাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। এই প্রত্যাহার এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তি উত্তর-পূর্ব সিরিয়ার ক্ষমতার গতিশীলতাকে নতুন রূপ দিতে পারে।
আইএস-এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ মিত্র এসডিএফ, উত্তর সিরিয়ার উল্লেখযোগ্য অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করে। আল-হোল ক্যাম্প দীর্ঘদিন ধরে আইএস-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বৃহৎ জনসংখ্যার কারণে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সিরিয়ার সরকার পুরো দেশের ওপর পুনরায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে।
এসডিএফ এবং সিরিয়ার সরকারের মধ্যে আলোচনা পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়closely বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে। উত্তর-পূর্ব সিরিয়ার ভবিষ্যৎ এবং আইএস পরিবারের ভাগ্য ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment